প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: এম সি কলেজের গণধর্ষণের ঘটনার দিনের বেশ কিছু সিসিটিভির ফুটেজ, অডিও ক্লিপসহ অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ একটি জাতীয় দৈনিকের হাতে এসেছে। সেগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ঘটনার দিন ভুক্তভোগী গৃহবধূর সঙ্গে ধর্ষকদের অন্যতম আইনুদ্দিনের ২৭ বার কথা হয়েছে।
বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঐ তরুণী আইনুদ্দিন ও রাজনের সঙ্গে অর্জুনের ফ্ল্যাটে অবস্থান করেছেন। তখন ঐ তরুণীর স্বামী ভবনের নিচে গাড়িতে বসে ছিলেন। যা সিসিটিভির ফুটেজেও দেখা গেছে। ঐ ফ্ল্যাটে দেড় ঘণ্টা অবস্থানের পর খবর পেয়ে সাইফুর সেখানে যায়।
এরপর তরুণী জরুরি কাজের কথা বলে বেরিয়ে যেতে চাইলে ঝামেলা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তরুণী নেমে স্বামীর সঙ্গে গাড়িতে করে চলে যান। কিন্তু ক্ষমতাধর সাইফুর এটা মেনে নিতে পারেনি। সে সঙ্গে সঙ্গে হোস্টেলে ফোন করে তার বাহিনীর সদস্যদের এমসি কলেজের গেটে আসতে বলে।
সেখানেই আটকে সাইফুরের ক্যাডাররা তরুণীকে গাড়িতে করে হোস্টেলের দিকে নিয়ে যায়। তার স্বামীকে মারধর করে বাইরে এনে পেটাতে থাকে। এক পর্যায়ে হোস্টেলের সামনে গাড়িতেই সাইফুর আর অর্জুন ঐ তরুণীকে ধর্ষণ করে।
এমনকি অর্জুনের ফ্ল্যাট থেকে পাওয়া সাড়ে ৫ হাজার টাকাও তরুণীর কাছ থেকে কেড়ে নেয়। এরপরও তারা ক্ষান্ত হয়নি। গাড়ি আটকে রেখে তরুণীর স্বামীর কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। এরপর তরুণীর স্বামী তার এক বন্ধুকে ফোনে ঘটনা জানায়। সেই বন্ধুই শাহ পরান থানার ওসিকে ফোন করে বিষয়টি অবহিত করে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শাহ পরান থানার ওসি আব্দুল কাইয়ুম প্রবাস বার্তাকে বলেন, ‘আমাদের কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে।’ সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক।
