প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: ঢাকা মহানগরীতে সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন,‘ সরকারের এই সিদ্ধান্ত জনগণের সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী এবং গণতন্ত্র ও রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত।’
বুধবার (২ ডিসেম্বর) রাতে বিএনপির দপ্তরের চলতি দায়িত্বে থাকা দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে তিনি এ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্ত জনগণের সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী এবং গণতন্ত্র ও রাজনীতির জন্য অশনি সংকেত।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, সংবিধানে অবাধে সভা-সমাবেশ করার অধিকার যেকোন নাগরিক ও সংগঠনের আছে। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সংবিধান স্বীকৃত জনগণের এই অধিকার বিভিন্ন সময় কেড়ে নিয়েছে অথবা সংকুচিত বা নিয়ন্ত্রিত করেছে, যা সংবিধানের লংঘন। আজ আবার হঠাৎ করে ডিএমপি-কে দিয়ে পূর্বানুমতি ছাড়া রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারী করে সরকার আবারও সংবিধান লংঘন করলো। অথচ ক্ষমতাসীন দল বা তাদের সমর্থক সংগঠন কোন পূর্বানুমতি বা শর্ত ছাড়াই যখন তখন রাস্তা বা লোকালয় দখল করে সভা-সমাবেশ করছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, অনুমতির নামে সরকার রাজনীতিকে বিভিন্ন শর্তের বেড়াজালে আটকে নিয়ন্ত্রণ করছে, জনগণের অধিকার হরণ করছে। রাজনীতির স্বাভাবিক পথ রুদ্ধ ও সংকুচিত করছে। মূলত: প্রশাসনকে অপব্যবহার করে জনরোষ ও গণআন্দোলন থেকে নিজেদের রক্ষা করতে সরকার সংবিধান স্বীকৃত জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ করছে।
বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব সংবিধান ও মৌলিক অধিকার পরিপন্থী এই গণবিরোধী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করার দাবি জানান।
