প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম ব্যুরো প্রধান পর্তুগাল এফ আই রনি :: করোনা মহামারী কাটিয়ে ইউরোপের অন্যতম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় পর্তুগাল এর রাজধানী লিসবনে। গতবছর যার অনুমতি মেলেনি করোনার ছোবলে।
কামারা মিউনিসিপ্যাল এর অনুমতি সাপেক্ষে বেশ কিছু শর্তে হোটেল মুন্ডিয়াল এর পাদদেশে প্রাসা দ্যা মাতৃমমনিজ এর দৃষ্টি নন্দন খোলা পার্কে প্রায় ৪০০০ থেকে ৫০০০ মুসুল্লির সমাগমে আয়োজিত হয় ঈদুল ফিতরের জামাত।

প্রবাসী বাংলাদেশি ছাড়াও ঈদের জামাতে অংশ গ্রহন করেন বিভিন্ন দেশের অভিবাসী মুসলিমগন। রমজান ও ঈদের নানাবিধ তাথপর্য আলোচনা শেষে ঘড়ির কাঁটায় সকাল ঠিক ৮ টার সময় সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন ধর্মপ্রান মুসুল্লিগন।
লিসবনের বাইতুল মুকাররম জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আবু সাঈদ এ ঈদের জামাত এ ইমাম এর দ্বায়িত্ব পালন করেন, তিনি বাংলা ও পর্তুগিজ ভাষায় মোনাজাত করেন এবং বিশ্ব উম্মার শান্তি কামনা করেন।
বৃহত্তম এই ঈদের জামাতে অংশ গ্রহন করেন লিসবন দূতাবাসের মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব তারিক আহসান সাথে ছিলেন প্রথম সচিব আব্দুল্লাহ আল রাজী এবং আলমগীর হোসাইন ও দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তাগন। উক্ত জামাতে নামাজ আদায় করেছেন পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব জহিরুল আলম জসিম, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব জনাব রানা তাসলিম উদ্দিন, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক বৃন্দ এবং অন্যান্য পেশার মানুষ।
নামাজ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত পর্তুগাল সরকার কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুসলমানদের সর্ববৃহৎ এ ধর্মীয় উৎসব এ অনুমতি প্রদান করার জন্য পাশাপাশি তিনি পর্তুগাল এ বসবাসরত সকল বাংলাদেশিদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে জনাব জহিরুল আলম জসিম পর্তুগাল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং ২০ থেকে ২৫ টি দেশের মুসলমানদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত এই জামাতে বাংলাদেশি ভাইদের পর্তুগিজ সরকার কর্তৃক সুরক্ষা নির্দেশনা মেনে নামাজ আদায়ের জন্য ধন্যবাদ জানান।
বরাবরের মতই ঈদের জামাত এর অনুমতি প্রাপ্তির ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন জনাব রানা তাসলিম উদ্দিন, তিনি কামারা মিউনিসিপ্যাল ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইউরোপের বৃহৎ এই আয়োজন এর অনুমতি প্রদানের জন্য।
নামাজ শেষে চোখে পড়েনি ঈদের কোলাকুলির কোন দৃশ্য তবে রাস্তার দুপাশে চায়ের আড্ডা ছিলো চোখে পড়ার মত।
