চলতি বছর ৩০ হাজার সিজনাল ওয়ার্কার ভিসা দেবে ব্রিটেন


প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: কর্মীর অভাবে ব্রিটেনের খামারগুলোতে ইতোমধ্যে ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে দেয়া হয়েছে। আসন্ন সামারে এই খামারে অতিরিক্ত ৪০জন কর্মী প্রয়োজন। কিন্তু এতো কর্মী পাওয়ার আশা করছেন না এই খামারের পরিচালকেরা।

হাউজ অফ কমন্সের এনভায়রনমেনট, ফুড এন্ড রুরাল এফেয়ারস কমিটির এক প্রতিবেদনে সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলা হয়েছে, কর্মী সংকট সৃষ্টির দোষ কৃষি খামারিদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে সরকার। কমিটির প্রতিবেদনে সতর্কতা উচ্চারণ করে বলা হয়েছে, শ্রমিক সংকটের সমাধান করা না হলে ব্রিটেনের কৃষি খাত সংকোচিত হয়ে যাবে, খাদ্যের দাম বেড়ে যাবে এবং কর্মসংস্থান সহ খাদ্য উৎপাদন খাত চলে যাবে অন্য দেশে।

গত গ্রীষ্ম মৌসুমে আশংকা করা হয়েছিল, ক্রিসমাসের জন্য প্রয়োজনীয় টার্কি প্রক্রিয়াজাত করতে ব্রিটেনে যথেষ্ট শ্রমিক নেই। তখন শেষ মুহূর্তে সাময়িক ভিসা স্কিম চালু করে বিদেশ থেকে কর্মী আনার সুযোগ করে দিয়েছিল সরকার।

ট্র্যাডিশনাল নরফোক পোলট্রি নামের এই পোলট্রি খামারে প্রতি বছর ক্রিসমাসের সময়ে অতিরিক্ত ৪শ শ্রমিক প্রয়োজন হয়। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এ বছর একই ধরনের সংকট এড়াতে সরকারকে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে।

সরকার বলছে, সিজনাল ওয়ার্কার ভিসা স্কিম ২০২৪ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। চলতি বছর এ ধরনে ৩০ হাজার ভিসা দেয়া হবে।

মানব শ্রমের ওপর নির্ভরতা কমাতে হোম ফার্ম নামের এই খামারে রোবটের ব্যবহার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। কিন্তু এতে সফলতা এলেও সাময়িক শ্রমিকের সঙ্কট মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। এখন প্রয়োজন মাঠে আরও বেশী মানব শ্রমিক।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *