শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপার্সন ‘বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের অনিবার্যতা’ শীর্ষক এ আলোচনা সভা হয়। এ আলোচনা সভার আয়োজন করে ‘অন্তরে মম শহীদ জিয়া’।
মঈন খান বলেন, ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আওয়ামী লীগ দাবি করেছিল। সঙ্গে ছিলো জামায়াতে ইসলাম। তখন জামায়াত জোরদার দল ছিলো, এখন ততটা নাই। সেই জামায়াত আরো দাবি করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার তারা দাবি করেছিলো, আওয়ামী লীগ হাইজ্যাক করে নিয়ে গেছে। যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ১৯৯৬ সালে হালাল ছিল, আজ তা কেনো হারাম হয়ে গেল?
তিনি বলেন, জনগণের দাবির মুখে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন খালেদা জিয়া।
তিনি বলেন, ‘জনগণের দাবির মুখে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়া জনগণের নেত্রী। তিনি পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসেননি, তিনি ক্ষমতায় এসেছিলেন সামনের দরজা দিয়ে। আট বছর রাজপথে রাজনীতি করে রাজনীতিতে এসেছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারকে একদিন না একদিন বিদায় নিতে হবে। এ সরকারকে দেশের মানুষ আর দেখতে চায় না। আমরা শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমরা লগি-বৈঠার রাজনীতি করি না। অনেকেই অভিযোগ করে, বিএনপি কিছু করতে পারে না। অভিযোগ করুক আর যা-ই করুক, আমরা হিংসাত্মক রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। আমরা নিয়মতান্ত্রিক-গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমরা নিয়মতান্ত্রিক ক্ষমতা পরিবর্তনে বিশ্বাসী।’
সংগঠনের উপদেষ্টা ঢালি আমিনুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক শিকদার, শাম্মি আক্তার, বিলকিস ইসলাম প্রমুখ।
