প্রিয়া সাহা দের মুখোশ খুলে দিন। দেশকে ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা করুন


প্রবাস বার্তা ডেস্ক রিপোর্টঃ ইসকন থেকে প্রিয়া সাহা। সবকিছু মিলিয়ে এদেশকে অস্থিতিশীল করার এক চক্রান্তের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

ইতিমধ্যই ইসকনের পরিচয় এবং বিতর্কিত কর্মকান্ডগুলো আমাদের চোখে অনেকটাই দৃশ্যমান হয়েছে। এরা মোটের উপর প্রচলিত হিন্দুদের স্বপক্ষ শক্তিও নয়। মূলধারার হিন্দুদের সাথে এদের বিবাদ বিদ্যমান। ইসকনের জন্মস্থান এবং সদরদপ্তর দুটোই আমেরিকায়। এদের কর্মকান্ড ধীরে ধীরে এটাই স্পষ্ট করছে- কোন বৃহৎ স্বার্থে ওরা এদেশে ধর্মীয় দাঙ্গা বাধাতে চাচ্ছে।

প্রিয়া সাহা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক। মহিলা ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারন সম্পাদক ছিলেন এই মহিলা। একটি এনজিও ও চালান উনি। বাইরের বিভিন্ন দেশে কাল্পনিক জেনোসাইডের কথা বলে বৈদেশিক সাহায্য হাতিয়ে নেন বলে পূর্ব থেকেই উনার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশে জন্মগ্রহন করে বাংলাদেশের সাথে গাদ্দারী করা এই মহিলার বিচারের দাবী এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাকে এদেশে এনে জিঙ্গাসাবাদ করা হোক এমন মিথ্যাচার সে কেন করল?

আমাদের দেশে অমুসলিমরা বলতে গেলে মুসলিমদের চেয়েও নিরাপদ। সুযোগ সুবিধা ক্ষেত্রেও তারা এগিয়ে। সরকারী উদ্ধর্তন পোস্টগুলোতে তাদের রয়েছে ব্যাপক উপস্থিতি।

এমন এক দেশে মুসলিমদের সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রশংসা না করে উল্টো যারা পেছন থেকে ছুড়ি মারে তাদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন। আর তা আমাদের নিজেদের এবং একই সাথে আমাদের দেশের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য।

২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী আমাদের দেশের ৯০.৪ ভাগ মুসলমান এবং ৮.৫ ভাগ হল হিন্দু। সুতরাং একমাসে এদেশে ১০০ জন মানুষ কোন কারনে অত্যাচারের শিকার হলে স্বাভাবিকভাবে ৯ জনের মত হিন্দু ধর্মের হবেন। এই ঘটনাগুলো রাজনৈতিক, স্বাভাবিক জমিজমা সংক্রান্তসহ বিভিন্ন কারনে হতে পারে। কিন্তু এই ৯ জনের অত্যাচারিত হওয়াকে কেউ বা কোন গোষ্ঠী যদি হাইলাইট করে বলে এদেশে সংখ্যালঘুদের উৎখাত করা হচ্ছে। তবে এসকল ব্যক্তি/গোষ্ঠীর দৌরাত্ম এখনি থামাতে না পারলে হয়তো অদূর ভবিষ্যতে তা ভয়ংকর রূপ ধারন করবে।

এটা মুসলিম প্রধান দেশ। মুসলিমরা প্রায় দীর্ঘ ৬০০ বছরের পুরো ভারতবর্ষ শাসন করেছে। মুসলিমদের নিকট অমুসলিমরা তাদের স্বজাতীয় শাসকদের চেয়েও সবসময় নিরাপদ। ইতিহাসের পাতা যার সাক্ষ্য বহন করছে। তাই এদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টে যারা চক্রান্ত করছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। শুধু মুসলিম নয় এগিয়ে আসতে হবে অন্যান্য ধর্মাবলম্বী সকল মানুষদেরও।

,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *