ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের ডাক্তারের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ


প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম ব্রাক্ষণবাডিয়া প্রতিনিধি নেজাম উদ্দিন সাগর:– ডেঙ্গু আতংককে পূজি খাটিয়ে জেলা সদর হাসপাতালের এক ডাক্তারের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জ্বরে আক্রান্ত মিলন মিয়া নামক ১৬ বছরের রোগী গত ৯ দিন যাবৎ নানা ভাবে হয়রানীর শিকার হয়েছে।

জানা যায়, বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরার বাহার মিয়ার ছেলে বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পাইকপাড়ার বাসিন্দা ১৬ বছরের মিলন মিয়ার জ্বর হলে তার খালা আনুরা বেগম তাকে ৩০ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।

হাসপাতালে আসলে আনুরা দালালের খপ্পরে পড়ে। দালালরা ভাল চিকিৎসার এবং ভাল ডাক্তরের নাম করে মিলনকে পার্শ্ববর্তি একটি মেডিকেল সেন্টারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসাপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ ফাইজুর রহমান ফয়েজ এর বেসরকারী চেম্বারে নিয়ে যায়।

সেখানে ঐ ডাঃ মিলনকে দেখে ডেঙ্গুর হতে পারে বলে নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা দেয়। এবং সদর হাসপাতাল পরিস্কার পরিচ্ছন্ন নয়, ভাল চিকিৎসা হবে না বলে ঐ ডাক্তারের অংশীদারিত্বের বেসরকারী হাসপাতাল শহরের মৌলভীপাড়ার হিউম্যান জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে ভর্তি হতে বলে।

সেই হাসপাতালে মিলন ভর্তি হয়। ভর্তি কালীন বেডভাড়া পরীক্ষার খরচ বেশী আসতে থাকায় আনুরা বেগম রোগীকে সদরে ভর্তি জন্য বারবার অনুরোধ করে। আনুরা জানায় প্রায় ২০ হাজার টাকা বেসরকারী হাসপাতাল পরীক্ষা নিরীক্ষা থাকা বাবদ হাতিয়ে নিয়েছে।

পরে ডাঃ ফয়েজ রোগীর অবস্থা খারাপ বাঁচাতে হলে ঢাকা নিতে হবে বলে ৪ আগষ্ট হিউম্যান জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার থেকে রেফার করে দেয়। তখন রোগীর খালা আনুরা বেগম মিলনকে নিয়ে সদর হাসপাতালে ৪ আগষ্ট পুনরায় নিয়ে আসে তখন হাসপাতালের মেডিসিন কনসালটেন্ট ডাঃ এম এ ফায়েজ মিলনের ব্যবস্থা পত্র দেন এবং হাসপাতালে ভর্তি হতে বলেন।

এদিকে ঐদিন হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ মোঃ ফাউজুর রহমান ফয়েজ মিলনকে সদর হাসপাতালে দেখতে পেয়ে বলেন, এই রোগীর অবস্থা খারাপ ঢাকা নিতে হবে এখানে ভর্তি করা যাবে না বলে রোগীর আত্মীয়কে শাসিয়ে বিদেয় করে দেয়।

পরে মিলন পাইকপাড়ার বাড়িতে চলে যায়। হাসপাতালে ভাল চিকিৎসা নেই অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন বেসরকারী হাসপাতালে ভাল চিকিৎসার ব্যাপারে ডাঃ ফাইজুরের মন্তব্য সহ ঘটনাটির অভিযোগ সোস্যাল মিডিয়ায় জানাজানি হয়ে যায়।

বিষয়টি অবগত হন সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ শওকত হোসেন পরে গতকাল ৯ আগষ্ট শুক্রবার তত্বাবধায়ক রোগী মিলনের বাড়ির খোঁজ খবর নেয় ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *