প্রবাস বার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম লন্ডন প্রতিনিধি আব্দুল হাই সঞ্জু :: যে হাসপাতাল সময় মতো রিপোর্ট তৈরি করতে পারেনা, সেটির সামর্থ্য নিয়ে তো প্রশ্ন উঠতেই পারে। খালেদা জিয়ার মুক্তি যারা চায়, তাদের কাছে পিজি হাসপাতালে চিকিৎসা অব্যাহত রাখার বিপক্ষে যুক্তি আরও বেড়ে গেলো, তাই নয় কি? তাঁর পরও অনেক প্রশ্ন থেকে যায়। যেমনঃ
১) উচ্চ আদালত যখন আজ ( ৫ ডিসেম্বর) পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন, তখন কি তারা যথেষ্ট সময় দেন নি? সময় যথেষ্ট না হলে সেটি রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবীরা সেদিন কেন বলেন নি?
২) মেডিক্যাল রিপোর্ট তৈরি করতে হাসপাতালের যে জনবল এবং যন্ত্রপাতি লাগে, সেগুলো কি এই সময়ের মধ্যে হাসপাতালে ছিল না? থাকলে, রিপোর্ট তৈরিতে দেরি কেন হচ্ছে?
৩) অনেকে বিতর্কিত মনে করলেও খালেদা জিয়ার এই কেইস হাই- প্রোফাইল কেইস। এই কেইস ডিল করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ছিল কিনা, ধীরে-চলো নীতি ছিল কিনা, সেটিও বুঝতে হবে। অর্থাৎ, সেখানে রাজনীতি মিশ্রিত আচরণ ছিল কিনা, সেটি নিরূপণ করাও দরকার।
‘’ আপিল বিভাগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন শুনানিতে ‘বিশৃঙ্খলা’ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক’’
আদালতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পিজি হাসপাতালের মেডিক্যাল রিপোর্ট তৈরিতে কেন বিলম্ব হচ্ছে- সেটি নিরূপণের জন্য একটি স্বাধীন তদন্তও করেন। এতে বঙ্গবন্ধুর নামে নামকরন করা হাসপাতালের সুনাম উদ্ধার করা যাবে এবং সরকারের ভাবমূর্তিও বাড়বে ।
https://www.facebook.com/100001458804307/videos/2662493593809241/
