
তবে যুক্তরাজ্যে গতকাল পর্যন্ত ঠিক কতজন সুস্থ হয়েছেন, সে তথ্য জানা যায়নি। তাই বলে যে দেশটিতে কেউই সুস্থ হননি, তা–ও নয়। যেমন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক করোনা সংক্রমিত হওয়ার পর এরই মধ্যে সুস্থ হয়ে কাজে যোগ দিয়েছেন। বিবিসির তথ্যমতে, দেশটিতে গতকাল পর্যন্ত ১ লাখ ৭১ হাজারের বেশি আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ২৬ হয়েছে ২৬ হাজার ৭১১ জনের। অন্য দেশগুলোতে কমে আসায় ইউরোপে এখন প্রতিদিন সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে যুক্তরাজ্যে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, স্পেনে বৃহস্পতিবার করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২৬৮ জনের। গত ২০ মার্চের পর দেশটিতে একদিনে মৃত্যুর ঘটনা এদিনই সবচেয়ে কম। এ নিয়ে স্পেনে মারা গেলেন সাড়ে ২৪ হাজারের বেশি মানুষ। ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্যমতে, স্পেনে গতকাল পর্যন্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ লাখ ৩৯ হাজারের বেশি। সুস্থ হয়েছেন প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার রোগী। অর্থাৎ স্পেনে সুস্থ হয়েছেন ৫৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ রোগী।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ইতালিতে গতকাল মৃত্যু হয় ২৮৫ জনের। এ নিয়ে দেশটিতে সাড়ে ২৭ হাজার ৯৬৭ জনের প্রাণ গেল করোনায়। গতকাল পর্যন্ত সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ লাখ ৫ হাজারের বেশি। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন প্রায় ৭৬ হাজার। অর্থাৎ ইউরোপের এই দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন প্রায় ৩৫ শতাংশ। ব্যাপকভাবে করোনার সংক্রমণ ছড়ানো ইউরোপের আরেক দেশ ফ্রান্সেও সুস্থ হয়ে ওঠার হার প্রায় ২৯ শতাংশ। দেশটিতে মৃত্যু ২৪ হাজার ছাড়িয়েছে।
ইউরোপের আরেক দেশ জার্মানিতে বুধবার পর্যন্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজারের বেশি। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি। অর্থাৎ দেশটিতে সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট শনাক্ত রোগীর ৭৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ। করোনার সংক্রমণ যে চীন থেকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে, সেখানেও সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট শনাক্ত রোগীর ৯৩ দশমিক ৬২ শতাংশ।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানেও সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট শনাক্ত রোগীর ৭৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। তুরস্কে শনাক্ত হওয়া প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার রোগীর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ। আর রাশিয়ায় শনাক্ত হওয়া ১ লাখ ৬ হাজারের বেশি রোগীর মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১০ দশমিক ৯১ শতাংশ। দেশটিতে মৃত্যু ১ হাজার ছাড়িয়েছে গতকাল।
