
বরিস বলেন, লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুটি বিষয় তাঁকে তাড়িত করছিল।
প্রথমত, মানুষের কষ্ট দূর করা। দ্বিতীয়ত, যুক্তরাজ্যকে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়া।
বরিস বলেন, ‘সেটি এক কঠিন মুহুর্ত ছিল, আমি অস্বীকার করব না। আমি বারবার নিজেকে জিজ্ঞাসা করেছি, কীভাবে আমি এর থেকে মুক্তি পাব?’
গত ২৬ মার্চ বরিসের করোনা শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘বিশ্বাস করা খুব কঠিন যে, মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে আমার স্বাস্থ্যগত অবস্থা ওই মাত্রায় খারাপ হয়ে যায়। যে কোনো ধরনের পরিস্থিতির জন্য চিকিৎসকেরা প্রস্তুত ছিলেন।’
নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন বরিস। কারণ, এখনো অনেক মানুষ এই রোগো ভুগছেন। এই মানুষগুলোর কষ্ট দূর করতে চান তিনি।
গত বুধবার বাবা–মা হয়েছেন বরিস জনসন ও তাঁর প্রেমিকা ক্যারি সাইমন্ডস। এর মাত্র কিছু দিন আগে আইসিইউ থেকে ছাড়া পান বরিস। আজ দুজন তাঁদরে সন্তানের নাম জানিয়েছেন। তাঁদের ছেলের নাম রেখেছেন উইলফ্রেড লরি নিকোলাস জনসন।
ক্যারি এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে জানান, তাঁদের দুজনের দাদা ও বরিসের দুই চিকিৎসকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সন্তানের নাম রেখেছেন তাঁরা।
