প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: ডঃ বিজন শীল জানান, যেকোনও ধরনের গলা খুশ খুশ বা কাশি দেখা দিলেই আর অপেক্ষা করা উচিত হবে না । ওটা করোনা না করোনা নয়, এ নিয়ে চিন্তা করার কোনও দরকার নেই।

বরং ওই মুহুর্ত থেকে যে কাজটি করতে হবে, তা হলো আদা (জিঞ্জার) ও লবঙ্গ (ক্লোব) একসঙ্গে পিষে সেটাকে গরম পানিতে সিদ্ধ করে তার সঙ্গে কিছুটা চা দিয়ে ওটা এক কাপ মতো নিয়ে গারগল করে খেতে হবে ।
দিনে অন্তত তিন – চারবার এক কাপ করে এটা খেতে হবে। এর ফলে গলার ভেতরের কোষগুলোতে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে। এতে কোষগুলো শক্তিশালী হবে।
কোষগুলোর ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোষগুলো সমর্থ হৰে কোভিড – ১৯ ভাইরাস যদি আক্রমণ করে, তাকে প্রতিরাোধ করতে।
যাদের গলা খুশখুশ করে না বা কোনও কাশি দেখা দেয়নি, তারাও এটা নিয়মিত দিনে দুইবার অন্তত দু’কাপ খাবেন। তাতে তাদেরও ইমিউনিটি বাড়বে। এর পাশাপাশি যাদের জোগাড় করা সম্ভব, বিশেষ করে যারা গ্রামে আছেন, তারা এখন নিমপাতা পাবেন।

এই নিমপাতা এক পানি নিয়ে পিষতে হবে। পেষার ফলে যে সবুজ রঙের রসটি বের হবে সেটার সঙ্গে গরম পানি মিশিয়ে তা গারগল করে যেতে হবে। এর ফলে গলার কোষগুলোয় রক্ত সঞ্চালন বাড়বে, ইমিউনিটি বাড়বে।
যা অনেক বেশি সমর্থ হৰে করোনা বা কোভিড – ১৯ ভাইরাসকে পরাজিত করতে। এর পাশাপাশি তিনি ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন এক গ্রাম পরিমাণ ভিটামিন সি খাওয়ার পরামর্শ দেন । এই ভিটামিন সির সঙ্গে অবশ্যই কিছু পরিমাণ জিঙ্ক থাকতে হবে কারণ, ভাইরাসের আর ডি ডি’কে ব্লক করে দিতে সমর্থ হয় জিঙ্ক।
যার ফলে এই ভাইরাস সহজে বোগীকে আক্রান্ত করতে পারে না। আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো টয়লেট পরিষ্কার রাখা। কারণ, কমোড়, পান এবং বেসিন থেকে কফ, থুতু, প্রস্রাব ও পায়খানার মাধ্যমে কৱানা বা কোভিড – ১৯ ছড়ায় বেশী। রোগীর কফ ও থুতুর মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায়।
