প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মারধর ও বসতভিটা ভাংচুর করে এতিম ভাতিজাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে আপন চাচা। উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের কোমাল্লা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইউপি মেম্বারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এ ঘটনায় থানায় জেঠা দুলাল মিয়া ড্রাইভারের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে ভাতিজা মোঃ হেলাল।অভিযোগে মোঃ হেলাল উল্লেখ করেন, কোমাল্লা মৌজায় সাবেক ২৭২ দাগ হালে ২৫৮ দাগে মরহুম ওমর আলীর মালিকানাধীন ১০ শতক ভুমির বাড়িতে জেঠা দুলাল মিয়াসহ একই বাড়িতে বসবাস করে।দাদা মরহুম ওমর আলী থেকে দলিলসূত্রে পাঁচ শতক এবং ওয়ারিশসূত্রে আড়াই শতকসহ মোট সাড়ে সাত শতক ভূমির মালিক হেলাল ও তার ছোট ভাই ফারুক।
তারা এতিম হওয়ায় ওই ভূমির জন্য চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে জেঠা দুলাল মিয়া। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দীর্ঘদিন ধরে জেঠার সাথে হেলালের বিরোধ চলছে এবং তাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা চলছে।

বিষয়টি গ্রামবাসীকে অবহিত করলে দুলাল মিয়া কারও কথা মানতে চায় না। এক পর্যায়ে ভাতিজা হেলালকে অনেক মারধর করে বাড়িতে থাকা টিউবওয়েল ও পায়খানা ভেঙ্গে ফেলে।
এতে হেলাল পাশ্ববর্তী হাড়িসর্দার বাজার এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে। মাঝে মধ্যে বাড়িতে গিয়ে ঘর তদারকি করে।
সম্প্রতি হেলাল কাজে ব্যস্ত থাকায় বাড়িতে যেতে না পারায় জেঠা দুলাল মিয়া লোকজন দিয়ে দেড় লাখ টাকার মালামাল লুটে নিয়ে যায় এবং টিনের ঘরটি ভেঙ্গে নিশ্চিহ্ন করে দেয়। ঘটনাটি গ্রামবাসীকে অবহিত করলে তারা বাড়ির ভিতরে ঢুকতে চাইলে দুলাল মিয়া ঢুকতে দেয়নি। এছাড়া সে জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কারও কথার কর্ণপাত করেনি। অভিযোগ পেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এ ব্যাপারে দুলাল মিয়া বলেন, ‘ভাতিজা হেলাল বাড়িতে কোন জায়গা পাবে না। তাকে সোনাকাটিয়া এলাকায় জায়গা দেয়া হয়েছে’।
স্থানীয় ইউপি মেম্বার বেলাল হোসেন বলেন, ‘এতিম হেলালের প্রতি জেঠা দুলাল মিয়া জুলুম করছে। সে কারও কথা শুনতে চায় না’।
