প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতের প্রতিযোগিতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে এবারে ছয় বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে তাদের প্রধান বাণিজ্য শত্রু চীন। নতুন মহাপরিকল্পনার আওতায় চীন ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক থেকে শুরু করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো উচ্চমানের প্রযুক্তি পর্যন্ত এই খাতের সবকিছুই তৈরি করতে চায়।

এভাবে পরিকল্পনা হাতে নিয়ে বড় আকারের বিনিয়োগ করার ফলে প্রযুক্তি খাতে চীনের বিদেশি নির্ভরতা কমাতে এবং ২০২৫ সাল নাগাদ ‘মেড ইন চায়না’ কর্মসূচি সফল করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চীনের এমন উদ্যোগের কঠোর সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

ডিজিটাল চায়না হোল্ডিংসের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) মারিয়া ক্বোক বলেন, ‘আগে কখনো এ রকম ঘটেনি। কিন্তু প্রযুক্তি খাতের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় জেতার জন্য এবারে চীন দাবার নতুন চাল দিয়ে খেলাটা শুরু করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘চলতি বছরেই তো শুরু হলো। আমরা সত্যিকার অর্থেই অর্থপ্রবাহের পথে এগোচ্ছি।’
অবশ্য করোনাভাইরাস–পরবর্তীতে বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতের নেতৃত্বে যাওয়ার জন্য চীন একাই বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছে না। চলতি মে মাসের গোড়ার দিকে কর্মসংস্থান সৃজন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে তারাও প্রযুক্তি খাতে জোর দিচ্ছে।
এদিকে চীনের মূল ভূখণ্ডের ৩১টি প্রদেশ ও অঞ্চলের মধ্য ২০টির বেশি প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের বড় অংশগ্রহণ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। একটি রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র গত বুধবার এই তথ্য পরিবেশন করেছে।
চীনভিত্তিক সার্ভার নিমাতা প্রতিষ্ঠান এইচথ্রিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টনি উ বলেন, সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জনের ফলে করোনার পরে চীনের অর্থনীতি নতুন শক্তি পাবে।
