প্রবাসবার্তা২৪.কম, সিলেটঃ ছবিটি দেখে আঁতকে উঠবে সবাই কতটা পাশবিক, নারকীয় বর্বরোচিত নৃশংস হত্যাকান্ড। ৫ বছরের একটি শিশুটিকে নরপিচাশরা হিংসার বশবর্তী হয়ে শিশু তুহিনকে সারা শরীর ক্ষত-বিক্ষত করেছে, তার দুইকান পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেছে, পেটে ছুড়ি ডুকিয়েছে। এতো টুকুন বাচ্চার উপর এমন পাশবিক নির্যাতন কোনো মানুষ করতে পারে? প্রকৃত অর্থে এরা মানুষ রূপী অমানুষ হায়েনা গত রবিবার রাতে তুহিনের সঙ্গে ঘুমিয়েছিলেন তার বাবা। মধ্যরাতে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় তিনি লক্ষ্য করেন ছেলে তুহিন বিছানায় নেই। ঘরের দরজাও খোলা। পরে বাছির ঘটনাটি স্বজন ও প্রতিবেশীদের ডেকে তুহিনকে খুঁজতে শুরু করেন। এর এক পর্যায়ে বাড়ির সামনের রাস্তায় রক্তের দাগ দেখতে পান তুহিনের বাবা বাছির। ওই রক্তের দাগ ধরে এগিয়ে যেতেই গ্রামের পাশে একটি কদম গাছে সন্তানের লাশ ঝোলানো অবস্থায় দেখতে পান তুহিনের বাবা সহ অন্যান্যরা। নিহত শিশু তুহিন হাসান দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের কেজাউড়া গ্রামের আব্দুল বাছির ও মনিরা বেগমের ছেলে।
নরপিচাশরা হিংসার বশবর্তী হয়ে শিশু তুহিনকে সারা শরীর ক্ষত-বিক্ষত করেছে, তার দুইকান পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেছে, পেটে ছুড়ি ডুকিয়েছে। প্রকৃত অর্থে এরা মানুষ রূপী অমানুষ হায়েনা। শিশু তুহিন হয়তো একটা তাপ্পর সইবার ক্ষমতা নেই কিন্তু তার শিশু কোমল দেহে একের পর এক চুরি দিয়ে আঘাত করেছে। না-জানি কতটা যন্ত্রণায় ছটফট করছে, চিৎকার করেছে ভাবতেই বারবার শরীর শিউরে উঠে। এই সব নরঘাতক পাষন্ড হায়েনাদের হাত একটুও কাপেনি, মনে একটুও করুণা, দয়া কষ্ট কিচ্ছু হয়নি। এই নরঘাতক দের দ্রুত গ্রেফতার করা এখন প্রত্যেকটি বিভেকবান মানুষের নৈতিক দাবি। তুহিনের বাবা-মা কে শান্তনা দেবার মতো ভাষা আমাদের নেই।
