প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: বুধবার সাতসকালে আইভরিকোস্টে মার্কিন দূতাবাস থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয়। তাতে পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর নেতাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও আইনের শাসনের প্রতি প্রতিশ্রুতি দেখানোর আহ্বান জানানো হয়।
এটা একধরনের মেকি ঘোষণা, যা মার্কিন কূটনীতিকেরা সব সময়ই বিশ্বজুড়ে নির্বাচনী ইস্যুতে দিয়ে থাকেন। এমন ঘোষণা তাঁরা বিশেষত সেসব দেশে দিয়ে থাকেন, যেখানে গণতন্ত্র পুরোপুরি নিরাপদ নয়। কিন্তু এ ঘোষণা কিছুটা হলেও (এই ঘোষণার) কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নানান মন্তব্যে খাটো হয়েছে।
এ বছরের মার্কিন নির্বাচন নিয়ে দৃষ্টিকটু বিতর্ক ও কুৎসিত প্রচারণা এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিয়ে দেশের বাইরে তার অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। উপরন্তু এ নির্বাচনকে প্রকাশ্যে অবৈধভাবে উপস্থাপনের মার্কিন নেতাদের যে চেষ্টা, তা আহত করেছে অনেককে। ট্রাম্পের বিরূপ মন্তব্যগুলো অনেক দেশই ভালোভাবে নেয়নি। দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচকেরা গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে ওয়াশিংটনের ভণ্ডামির অভিযোগ করে আসছিলেন দীর্ঘদিন ধরে।
জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যান্নেগরেট ক্র্যাম্প-ক্যারেনবাউয়ার গত বুধবার সরকারি প্রচারমাধ্যম জেডডিএফকে বলেন, (নির্বাচন নিয়ে) যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব বিস্ফোরক পরিস্থিতি’ ও এক সম্ভাব্য সংকটের মুখোমুখি। নির্বাচনের নিষ্পত্তি হয়নি…ভোট গণনা এখনো চলছে। এখনই ফলাফলের বৈধতা নিয়ে লড়াই শুরু হয়ে গেছে।
