নিজের শিষ্যদের এভাবে বিদ্বেষের শিকার হওয়ার বিষয়টির কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন গ্যারেথ সাউথগেট, ‘ওদের কারও এভাবে বিদ্বেষের শিকার হওয়ার বিষয়টি ক্ষমার অযোগ্য। যাঁরা এসব তথ্যপ্রযুক্তির উৎস খুঁজে বের করতে পারেন, তাঁরা ব্যাখ্যা করতে পারবেন ভালো। কিন্তু ওরাই সব নয়। আমরা স্রেফ এসবের বিপক্ষে। জাতীয় দলের সঙ্গে মানুষকে একসূত্রে গাঁথতে আমরা আলোকবর্তিকার মতো কাজ করছি। জাতীয় দল সবার পক্ষে দাঁড়ায়।’
কিন্তু বরিস জনসনকে ধুয়ে দিয়েছেন ইংল্যান্ডের সাবেক ডিফেন্ডার গ্যারি নেভিল। স্বয়ং ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীই ‘বর্ণবাদকে উৎসাহ’ দিচ্ছেন বলে মনে করেন নেভিল, ‘গত মাসে খেলোয়াড়েরা যখন হাঁটু গেড়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছিল, তারা বর্ণবাদের বিরুদ্ধে, তখন সরকারের উচ্চপর্যায়ের অফিশিয়ালরা এ নিয়ে উপহাস করেছেন। তাই ফুটবল ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়েরা যখন বর্ণবাদী আচরণের শিকার হয়, তখন বিষয়টি আমার কাছে অস্বাভাবিক লাগে না। কারণ, বর্ণবাদ আছে এবং তাতে আসলে প্রধানমন্ত্রীই উৎসাহ দিচ্ছেন।’

