
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ভাষণ থেকে করোনাভাইরাস সতর্কতায় নতুন স্লোগান ‘স্টে অ্যালার্ট, কন্ট্রোল দ্য ভাইরাস, সেভস লাইভস’ (সতর্ক থাকুন, ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাখুন, জীবন বাঁচান) আসতে পারে।

জানা গেছে, বরিস জনসন তাঁর ভাষণে জানাতে পারেন যে ইংল্যান্ড এখন ধাপ–৪ এ আছে এবং ধাপ–৩ এর দিকে যাচ্ছে। এই সতর্কতা পদ্ধতিটি রোগ নিয়ন্ত্রণ পদক্ষেপের নতুন অবকাঠামো ‘যৌথ বায়োনিরাপত্তা কেন্দ্র’–এর মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
দেশের বিভিন্ন স্থানের ভাইরাস ঝুঁকি এতে তুলে ধরা হবে। কারণ, একটি শহর থেকে অন্য শহরের ভাইরাস পরিস্থিতির অনেক হেরফের থাকতে পারে। সেটিই জানানো হবে বাসিন্দাদের। ইংল্যান্ডে চলমান বিধিনিষেধ পরিস্থিতি সম্পর্কেও এটি জনগণকে জানাবে।

বরিস জনসনের ভাষণের আগে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ কমিটি কোবরা (কেবিনেট অফিস ব্রিফিং রুম) জরুরি কমিটির বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ, উন্নয়ন সংস্থা এবং মেয়র অব লন্ডনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কাল সোমবার পালার্মেন্ট তোলার জন্য অ্যালার্ট পদ্ধতিসহ বেশ কিছু পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হবে।
সানডে পত্রিকায় প্রকাশিত খবরকে উদ্ধৃত করে বিবিসি জানিয়েছে, ভাষণে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সতর্ক করবেন এই বলে যে যুক্তরাজ্য করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বিপজ্জনক ধাপে প্রবেশ করছে। প্রধানমন্ত্রী সানডেকে বলেছেন, ‘আমরা এখন শীর্ষ অবস্থা (করোনাভাইরাস পরিস্থিতি) অতিক্রম করছি।
প্রতিটি সঠিক পদক্ষেপ পেতে আমাদের আরও কঠিন শ্রম দিতে হবে। পবর্তারোহীরা সব সময় বলেন, চূড়া থেকে নামতে থাকার সময়টা সবচেয়ে বিপজ্জনক। কারণ, ওই সময়টায় আপনি অতিমাত্রায় আত্মবিশ্বাসী হয়ে ভুল করতে পারেন। আরোহণের সময় হাতে তেমন কোনো বিকল্প থাকে না, কিন্তু নামার সময় আপনাকে নিশ্চিত হবে যেন দ্রুত না দৌড়ান, নিযন্ত্রণ না হারান এবং হোঁচট না খান।’
গতকাল শনিবার ব্রিটিশ যোগাযোগমন্ত্রী গ্র্যান্ট শাপস সতর্ক করেন যে ব্যাপক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরই সরকার লকডাউন তুলে নেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রসর হবে।
গতকাল যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৪৬ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ৩১ হাজার ৫৮৭ জনের।
