প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: লকডাউন-পরবর্তী সময়ে বৃটেনে বাংলাদেশী রেস্টুরেন্ট ব্যবসা টিকিয়ে রাখা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন ব্যবসায়ীরা। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নতুন করে ব্যবসা পরিচালনা করা, স্টাফ স্বল্পতা এবং আগের মত কাস্টমার পাওয়া যাবে কিনা, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
তবে বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এম এ মুনিম রেস্টুরেন্ট বন্ধ না রেখে টেইকওয়ে সার্ভিস চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। হতাশ না হয়ে সরকারের দেয়া অনুদান ও ঋণ সুবিধা গ্রহণ করে ব্যবসা অব্যাহত রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন বৃটেনে গত ৭ সপ্তাহ যাবত বন্ধ রয়েছে রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফে। ফলে রেস্টুরেন্টে মজুদ রাখা বহু পণ্য ফেলে দিতে হয়েছে।
লকডাউন প্রত্যাহার হলে নতুন করে এসব মজুদ তৈরী করতে হবে। বৃকলেইনের সকল রেস্টুরেন্ট শেষ পর্যন্ত খুলবে কিনা, এমন প্রশ্ন ছিলো ব্রিকলেইন বিজনেস এসোসিয়েশনের সভাপতি গোলজার খানের কাছে। তিনি বর্তমানে রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকায় ল্যান্ডলড কিংবা গ্যাস, ইলেক্ট্রিক বিলসহ বিভিন্ন বিল আসতেছেনা। যখন খুলবে তখন সব এক সাথে এসবে। ব্যবসা পূর্বেমত হবে কিনা তাও চিন্তার বিষয়।
একইভাবে সংশয় প্রকাশ করেন সেলিব্রেটি শেফ আতিকুর রহমান। তিনি বলেন, কিচেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় প্রায় অসম্ভব। তারপরও রেস্টুরেন্টে স্টাফ পাওয়া যাবে কিনা তাও চিন্তার বিষয়।
তবে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সরকারের দেয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঋণ গ্রহণেরও পরামর্শ দিচ্ছেন জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এম এ মুনিম। তিনি বন্ধ রেস্টুরেন্টগুলোকে দ্রুত টেইকওয়ে সার্ভিসে ফিরে যাওয়ারও পরামর্শ দেন।

আপাতত: কারি ইন্ডাস্ট্রির ভিএটি মওকুফ করে পরবর্তীতে এই হার ৫ শতাংশে নির্ধারণ করতে সরকারের কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন বলে জানান জনাব এম এ মুনিম।
লকডাউন-পরবর্তী সময়ে বৃটেনে বাংলাদেশী রেস্টুরেন্ট ব্যবসা টিকিয়ে রাখা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন ব্যবসায়ীরা। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নতুন করে ব্যবসা পরিচালনা করা, স্টাফ স্বল্পতা এবং আগের মত কাস্টমার পাওয়া যাবে কিনা, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
তবে বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এম এ মুনিম রেস্টুরেন্ট বন্ধ না রেখে টেইকওয়ে সার্ভিস চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। হতাশ না হয়ে সরকারের দেয়া অনুদান ও ঋণ সুবিধা গ্রহণ করে ব্যবসা অব্যাহত রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন বৃটেনে গত ৭ সপ্তাহ যাবত বন্ধ রয়েছে রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফে। ফলে রেস্টুরেন্টে মজুদ রাখা বহু পণ্য ফেলে দিতে হয়েছে। লকডাউন প্রত্যাহার হলে নতুন করে এসব মজুদ তৈরী করতে হবে। বৃকলেইনের সকল রেস্টুরেন্ট শেষ পর্যন্ত খুলবে কিনা, এমন প্রশ্ন ছিলো ব্রিকলেইন বিজনেস এসোসিয়েশনের সভাপতি গোলজার খানের কাছে।
তিনি বর্তমানে রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকায় ল্যান্ডলড কিংবা গ্যাস, ইলেক্ট্রিক বিলসহ বিভিন্ন বিল আসতেছেনা। যখন খুলবে তখন সব এক সাথে এসবে। ব্যবসা পূর্বেমত হবে কিনা তাও চিন্তার বিষয়।

একইভাবে সংশয় প্রকাশ করেন সেলিব্রেটি শেফ আতিকুর রহমান। তিনি বলেন, কিচেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় প্রায় অসম্ভব। তারপরও রেস্টুরেন্টে স্টাফ পাওয়া যাবে কিনা তাও চিন্তার বিষয়।
তবে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সরকারের দেয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঋণ গ্রহণেরও পরামর্শ দিচ্ছেন জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এম এ মুনিম। তিনি বন্ধ রেস্টুরেন্টগুলোকে দ্রুত টেইকওয়ে সার্ভিসে ফিরে যাওয়ারও পরামর্শ দেন।
আপাতত: কারি ইন্ডাস্ট্রির ভিএটি মওকুফ করে পরবর্তীতে এই হার ৫ শতাংশে নির্ধারণ করতে সরকারের কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন বলে জানান জনাব এম এ মুনিম।
