প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে চরম বেকায়দায় থাকা ভারতের প্রধানমন্ত্রী বিক্ষোভকারীদের তোপ থেকে বাঁচতে শেষ পর্যন্ত গুরুর শরণাপন্ন হয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
মঙ্গলবার ‘আধ্যাত্মিক গুরু’ জগ্গী বাসুদেবের একটি ভিডিও টুইট করেছেন মোদি। লিখেছেন– গুরু সিএএ পানির মতো ব্যাখ্যা করেছেন, তা শুনে দেখুন। খবর আনন্দবাজার।
কিন্তু এই ভিডিও পোস্টের পর বিরোধীদের কটাক্ষ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে কতটা বেকায়দায় আছেন, তা বোঝা যাচ্ছে।
অর্থনীতিবিদরা সমালোচনা করছিলেন বলে নোট বাতিলের গুণাগুণ ব্যাখ্যা করতে তিনি বলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নামিয়েছিলেন। এবার তারাও নারাজ। আবার তিনি নিজেও আইন বোঝাতে পারছেন না। তাই আধ্যাত্মিক গুরুকে দিয়ে নতুন নাগরিকত্ব আইন বোঝাচ্ছেন।
অথচ প্রধানমন্ত্রীর প্রচারিত ভিডিওতে সদ্গুরু ২০ মিনিটের বেশি সিএএর গুণাগুণ ব্যাখ্যা করলেও প্রথমেই বলছেন– ‘আমি পুরো আইন পড়িনি। সংবাদপত্র পড়েছি, যা লেখালেখি হচ্ছে, সেগুলো পড়েছি।’
তবে সিএএ না পড়েই তিনি বলেছেন, এই আইন সব দেশেই রয়েছে। এই আইনের প্রয়োজনে আছে।
নিজে না পড়লেও ছাত্রছাত্রীদের আইন না পড়েই রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখানোর জন্য তিরস্কার করতেও ছাড়েননি গুরু জগ্গী বাসুদেব। শিক্ষার্থীদের পাথরের খনির শ্রমিকের সঙ্গে তুলনা করে তার মন্তব্য, ‘সবাই বলছে, পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পড়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তো পাথরের খনির শ্রমিকের মতো আচরণ করছে। সবাইকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়ছে।
তার দাবি, এতটা প্রতিক্রিয়া হবে বলে সরকারের ধারণা ছিল না, তাই বেশি পুলিশ নামায়নি। ফলে পুলিশই মার খেয়েছে।
তথ্য সুত্র :: যুগান্তর
