প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: করোনাভাইরস মহামারির সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে হবে, বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে। সেই যুদ্ধ হচ্ছে নিজের সাথে নিজেকে। সরকার ও যুদ্ধ করে চলছে ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য। সাইন্টিস্টরা অবিরাম সমগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন, ভাইরাস প্রতিরোধের ঔষধ আবিস্কারের । সরকার যুদ্ধের সাথে সাথে জনসাধারনকে নিয়ে ভাবছে, দেশের মানুষকে রক্ষার জন্য নিচ্ছে নতুন নতুন পরিকল্পনা। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।

আজ ২৪শ্ জুলাই ২০২০ থেকে ঘরের বাইরে বের হলেই মুখে মাক্স পরতে হবে। দোকানে প্রবেশ করতে পারবেন না মুখে মাক্স ছাড়া। পাবলিক ট্রান্সপোর্টে মুখে মাক্স আগে থেকেই পরার নির্দেশ ছিল কিন্তু ২৪শে জুলাই থেকে সবার জন্য মুখে মাক্স বাধ্যতামূলেক করা হবে সমগ্র ব্রিটেন জুড়ে।
দোকান বা শপ, সুপার স্টোর সহ যেকোন ব্যাবসা প্রতিস্ঠানে প্রবেশ করতে হলে অবশ্যই মুখে মাক্স থাকতে হবে। দোকানের সকল সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী সবাইকে মাক্স পরে সার্ভিস করতে হবে। যদি মুখে মাক্স না থাকে তবে আপনাকে দোকানের ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবেনা। পুলিশ দেখলে আপনাকে£১০০ জরিমান করতে পারবে। আর দোকানের যারা সার্ভিস করবেন। তাদের মুখে মাক্স না থাকলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে পারবে স্থানীয় কাউন্সিল ।

করোনাভাইরস থেকে জনসাধারনকে রক্ষা করার জন্য সরকারের মেইন ঘোষনা গুলি হলো :-
১/ বাসায় থাকুন, নিরাপদে থাকুন।
২/ যদি সম্ভব হয় বাসায় থেকে অফিস করুন। সম্ভব না হলে অতি সতর্কতার সাথে অফিস করুন।
৩/ বন্ধু বান্ধব বা আত্বীয় স্বজনদের সাথে কম যোগাযোগ করুন।
৪/ সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখুন।
৫/ সব সময় হাত পরিস্কার করুন। বাহির থেকে অফিস কিম্বা বাসায় প্রবেশ করে প্রথমেই ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে ভালো করে হাত পরিস্কার করুন।
৬/ অসুস্থ্য অনুভব করলে নিজে নিজে আইসোলেশনে চলে যান। নিজে নিরাপদে থাকুন অন্যকে নিরাপদ ও সুস্থ্য থাকতে সহযোগিতা করুন।
এবং
৭/ ২৪শে জুলাই থেকে ঘর থেকে বের হলেই মুখে মাক্স ব্যাবহার করুন।

করোনাভাইরস মহামারি মোকাবেলায় অতিরিক্ত ক্ষমতা দেয়া হয়েছে কাউন্সিলগুলোকে। এর ফলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার দোকান-পাট বন্ধ, সভা সমাবেশ বাতিল, জনসাধারনের উন্মুক্ত জায়গা লকডাউন করতে পারবে।
শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছে, এর ফলে কাউন্সিলগুলো দ্রুত প্রদক্ষেপ নিতে পারবে। সরকারের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে দ্যা লকাল গর্ভমেন্ট এসোসিয়েশন। এর ফলে প্রয়োজনমত কঠোরতা অবলম্বন করা যাবে।
বরিস জনসন আরো জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবেই প্রাদুর্ভাব মোকাবেলা করতে হবে। একটি এলাকার জন্য পুরো শহর বা দেশ বন্ধ করে রাখা যায় না। তিনি বলেন, মন্ত্রীরাও কোন কোন জায়গা প্রদক্ষেপ গ্রহন করতে পারবেন।

বৃটিশ হেল্থ সেক্রেটারী ম্যাথ হ্যানকক বলেন,” সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করে মুখে মাক্স করলে রোগ সংক্রমনের হার কমে আসবে। সরকার এবং জনগনের সমান সহযোগিতায় করোনাভাইরস মহামারি নিয়ন্ত্রনে এসেছে। সরকারের বিধিনিষেধ মেনে চললে আরো সুফলতা আসবে,”।
তবে স্থানীয় কাউন্সিল কে দায়িত্ব দোওয়ায় ছোট ছোট কফি শপ এবং ছোট ছোট ব্যাবসা প্রতিস্ঠান গুলি ক্ষতির মুখে পরতে পারে বলে আশংকা করছেন ব্যাবসায়ীরা। স্থানীয় কাউন্সিলের ভয়ে অনেক কাস্টমাররা কফি শপে নাও আসতে পারে।আবার কাস্টমারা এলে মুখে মাক্স না থাকলে প্রবেশে বাঁধা দিনে বা নিষেধ করলে কাস্টমার কমে যাবে।
অপর দিকে সরকার মনে করছে। স্থানীয় ভাবে কাউন্সিল দায়িত্ব পালনের ফলে সবাই সতর্ক থাকবেন। মনিটর করতে সহজ হবে। যেকোন সিদ্ধান্ত সহজে নিতে পারবে। করোনাভাইরস মহামারি থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া যাবে।
এনএইচএস এর তথ্য অনুযায়ী ট্রান্সপোর্ট ব্যাবহারের সময় প্যালেন্জার মুখে মাক্স ব্যাবহারের ফলে অনেক সুফল বয়ে এনেছে। ভাইরাস আক্রান্ত কম হয়েছে। শপ এবং সুপার মার্কেটে কাস্টমাররা মুখে মাক্স ব্যবহার করলে ।
