অথচ এক সময় সারা বছর নদী পথে একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম ছিল এই স্রোতস্বিনী পিয়াইন নদী । এই সমস্যার স্হায়ী সমাধানের জন্য ঐতিহাসিক “পিয়াইন নদী খনন প্রকল্প ” বাস্তবায়ন একান্ত জরুরী ও জনগুরুত্বপূর্ণ। কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মরহুম এম. তৈয়বুর রহমান ছাত্রাবস্হায় প্রথম ১৯৭৫ সালে তৎকালীন নৌ পরিবহনমন্ত্রী মরহুম আব্দুর রব সেরনিয়াবাত মহোদয়ের নিকট দরখাস্ত প্রদান করেন।

পরবর্তীতে তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে বার বার আবেদন নিবেদন করেন।উনার আবেদন নিবেদনের প্রেক্ষিতে জাইকার মাধ্যমে সমীক্ষা হয়।পরবর্তীতে মরহুম এম তৈয়বুর রহমান মৃত্যুর পূর্ব মূহুর্ত পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট দফতরে আবেদন নিবেদন, অনুনয়, বিনয় করে গেছেন।কিন্তু পরিতাপের বিষয় ২০১৩ সালের ১০ই মার্চ উপজেলা চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় বৃহত্তর জৈন্তিয়া বাসীকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে চিরতরে না ফেরার দেশে চলে যান।
তিনি আমৃত্যু পিয়াইন নদী খনন প্রকল্প বাস্তবায়নের আকুতি জানিয়ে গেছেন,এতদঅন্চলের মানুষকে বন্যার প্রাকৃতিক দূর্যোগের হাত থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করে গেছেন।তাই মরহুমের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি “পিয়াইন নদী খনন প্রকল্প ” টি বাস্তবায়ন করার।

প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রতিনিধি এডভোকেট মোঃ জামাল উদ্দিন :: বছর বছর মেঘালয় থেকে তেড়ে আসা পাহাড়ি ঢল পিয়াইন নদীর দুকূল প্লাবিত করে। নদী তীরবর্তী গ্রাম গুলো নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে বাড়ি ঘর বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদী গর্ভে। পাহাড়ি ঢলের সাথে পলি, বালু,কাঁকর এসে নদীর নাব্যতা হ্রাস করে প্রতি বছর।
এক কালের খরস্রোতা ৩০,৪০ ফুট গভীর পিয়াইন নদী জাফলং থেকে পান্তুমাই হয়ে, মনাইকান্দি, গোরা গ্রাম, হাদার পার, গুজার কান্দি, কোম্পানিগন্জ কাটা গাং হয়ে সুরমায় মিলিত হয়েছে কিন্তু আজ নাব্যতা সংকটে শুকনা মৌসুমে নদী শুকিয়ে যায় আর এ নদীর বুকে রবি শষ্য ফলানো হয়।