প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: জনাব কুটি মিয়া ১৯৭০ সালে দীপালি সংঘে যুক্ত হয়ে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এই সংঘ এলাকার যুবসমাজকে একত্র করে সামাজিক উন্নয়নে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বিশ্বনাথ-দশঘর রাস্তা তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট গ্রামগুলোর নেতৃবন্দের সাথে বৈঠক ও প্রবাসীদের থেকে অর্থ সংগ্রহ করা ইত্যাদি তার নেতৃত্বে সম্ভব হয়ে ছিল । তৈরী করা সম্ভব হয়ে ছিল চরচন্ডি নদীর তীর দিয়ে ১৫ ফুট প্রশস্ত ১০ কিলোমিটার রাস্তা।
পাকিস্তানী শোষকদের বিরুদ্ধে উনসত্তরের উত্তাল গণআন্দোলনের পর ১৯৭০ এর নির্বাচনে ইউনিয়ন-আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি, আওয়ামীলীগ নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানী হানাদাররা বাঙালিদেরকে হত্যা করার জন্যে রাতের অন্ধকারে ঝাঁপিয়ে পড়ে। হত্যা, লুন্ঠন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ করে শহর গ্রাম পোডাতে থাকে, যুবকদেরকে হত্যা করতে থাকে।
এ সময় তিনি দীপালি সংঘের সদস্যদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিং শুরু করেন। তারপর ভারতে ট্রেনিং এর সুযোগ সৃষ্টি হলে তার উৎসাহে ও নির্দেশনায় ইউনিয়নের যুবকরা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন এক অসাধারণ সংগঠক।
স্বাধীনতার পর দীপালি সংঘে নৈশ স্কুল চালু হয় তার প্রেরণায়। আর এলাকায় উচ্চশিক্ষা বিস্তারে হাইস্কুল প্রতিষ্ঠায়ও তার অবদান সমানভাবে স্মরণীয়।
পরম করুণাময় আল্লাহ রাব্বুল আলআমীন তার সকল সৎকর্ম কবুল করুন, তাকে ক্ষমা করুন, আমরা তার মাগফেরাত কামনা করি, তার পরিবারের সকল সদস্যদের জন্যেও প্রশান্তি ও কল্যাণের দোয়া করি।
মো সীতাব আলী, বীর মুক্তিযাদ্ধা, লেখক, বিশেষ প্রতিনিধি প্রবাস বার্তা
পরিচালক, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন সিলেট।
