কেবলমাত্র সর্বস্থরের জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনেই এই ফ্যাষিস্ট সরকারের পতন নিশ্চিত করতে পারে – বদরুজ্জামানসেলিম


বিএনপি সিলেট মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, তার ফেসবুক স্ট্যাসাস লিখেছেন;

প্রিয় দেশবাসী আজ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা এক ভয়ানক ক্রান্তিলগ্ন সময় অতিক্রম  করছে বাংলাদেশর স্বাধীনতা ও   সার্বভৌমত্ব  আজ হুমকির সম্মুখীন।

ন্যায় বিচার ও মানুষের মৌলিক অধিকার বিলুপ্ত প্রায়, এই সরকারের নগ্ন হস্তক্ষেপেমানুষের ভোটাধিকার ও নির্বাচনের গণতান্ত্রিক পরিবেশ সম্পুর্ণ রুপে ধংশ হয়ে গেছে। গনতন্ত্রের কবর রচনা কারী ফ্যাষিষ্ঠ সরকারের মদদপুষ্ঠ আইন শৃঙ্খলা বাহীনির অনৈতিক কার্যক্রমে দেশের জনগন আজ দিশেহারা।

পুলিশ বাহিনীরনির্যাতনে সাধারন মানুষের জীবনযাপনে নাভিশ্বাসে উঠেছে।  আজ গুম,হত্যা,ধর্ষন, রাহাজানি নিম্ন নৈমিত্তিক বিষয় হয়েদাড়িয়েছে।

সরকারের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বেপরোয়া কর্মকান্ড জনজীবনে চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।সম্প্রতিনারায়ণ গঞ্জের একজন এস পি পদ মর্যাদার কমকর্তা ঢাকার ধর্নাড্য ব্যবসায়ীকে চাঁদা দাবি করে চাঁদা না পেয়ে তাকে ষড়যন্ত্রমূলক মাদক দিয়ে তার পরিবারকে হয়রানি করে।

যা তার বাসার সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে একজন ডিআইজি সম্পুর্নঅন্যায় ভাবে একটি পরিবারের মূল্যবান জায়গা জোর করে, জালিয়াতি করে দখল করে নেয়,এ যেন হিরক রাজার দেশ,ঠিকতেমনি সরকারের সাবেক মন্ত্রি রাশেদ খান মেনন সম্প্রতি এক সভায় ৩০ তারিখের ভোট নিয়ে প্রকাশ্য বলেন যে মানুষ এই নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি।

এতেই প্রমাণিত হয় সরকার ভোটারবিহীন অগনত্রান্তিক উপায়ে জগদ্দল পাথরের ন্যায় রাস্ট্রক্ষমতায় টিকে আছে, তিন বারের প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারের প্রতিহিংসার কারনে বিনা অপরাধে কারাবন্দী, অথচ সরকারের মদদে সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীরা হাজার হাজার কোটি টাকা লোটপাট করলেও সরকার তাদেরব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না, এক দেশে দুই আইন, দেশের প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাএলীগ এবং সরকারদলীয়  ভিসিদের অন্যায় কার্যক্রম দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিপন্ন করে তুলেছে, বুয়েটে কিছু দিন আগে মেধাবী ছাত্র আবরারকে ছাত্রলীগের নেতা কর্মি পিটিয়ে হত্যা করে, নিত্য দ্রব্য আজ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে, বাংলাদেশের ইতিহাসে পিঁয়াজের এইমূল্য অতীতের সকল রেকর্ড কে হার মানিয়েছে,অথচ সরকারের দায়িত্বশীল লোকজন এর মূল্য নিয়ে মানুষের সাথে মসকারা করছে প্রতিনিয়ত, শুধু পেঁয়াজ নয় চাল সহ সব কিছুই সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, এমতাবস্থায় দেশের স্বাধীনতা ওসার্বভোমত্ব, মানুষের মৌলিক অধিকার, ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য দেশবাসীকে একযোগে ঐক্যবদ্ধ ভাবে ঝাপিয়েপড়া ছাড়া কোন বিকল্প নেই।

আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ ভাবে একযোগে নামতে পারি তবেই এই ফ্যাসিস্ট  অবৈধ সরকারের পতনহবে,২০১৯ সালই হবে এই জুলুমবাজ সরকারের পতনের বছর,২০২০ সালই হবে নতুন ভোরের নতুন সুর্যোদয়,এবংবাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হবে জনগণের সরকার ইনশাআল্লাহ !

, ,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *