১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর দিনটি বাংলাদেশের শুধু রাজনীতির নয় সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি সংকটময় সন্ধিস্থল, ইংরেজিতে যাকে বলে টার্নিং পয়েন্ট। ওই দিন থেকে বাংলাদেশ একটি নতুন পথে যাত্রা শুরু করে।৩ নভেম্বর জেল হত্যাকাণ্ডের দুটি দিক: একটি ফৌজদারি অপরাধসংক্রান্ত এবং দ্বিতীয়টি তার রাজনৈতিক নিহিতার্থ। প্রথমটি আদালতে বিচারের মাধ্যমে মীমাংসাযোগ্য, দ্বিতীয়টি অতি জটিল বিষয়, যার অভিঘাত সুগভীর ও সুদূরপ্রসারী। বাংলাদেশের গত ৩৪ বছরের যে রাজনৈতিক চারিত্র্য তার সূচনা ৩ নভেম্বর ১৯৭৫ থেকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা আরও বিকৃত ও বিস্তৃত হয়েছে।
বাংলাদেশে ধর্মমিশ্রিত ও আইনভঙ্গমূলক যে প্রতিক্রিয়াশীল ও আমলাতান্ত্রিক রাজনীতি আজ দৃঢ়মূল হয়েছে তার আরম্ভটি ওই জেলহত্যার মুহূর্ত থেকে। বিরাজনীতি শব্দটি আজকাল বাংলাদেশে খুব বেশি ব্যবহূত হচ্ছে; বাংলাদেশকে বিরাজনীতিকরণ করে আমলানির্ভর প্রশাসন করার লক্ষ্য থেকেই জেলখানার সবচেয়ে নিরাপদ স্থানে চার নেতাকে হত্যা করা হয়।খুব ভেবে দেখেছি, কী কারণে চার নেতাকে অতি ঠান্ডামাথায় হত্যা করা হতে পারে। সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী, তাজউদ্দীন আহমদ ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে যারা হত্যা করতে জেলখানায় যায় তারা কেউই তাঁদের ব্যক্তিগত শত্রু ছিল না। এমনকি হত্যার পরিকল্পনাকারী ও হুকুমদাতা যারা তারাও। আমার স্থির বিশ্বাস, চার রাজনীতিকের ব্যক্তিগত শত্রু ছিল না। মানুষ হিসেবে চারজনই এমন সজ্জন ও নির্বিরোধ প্রকৃতির বিশিষ্ট ভদ্রলোক ছিলেন যে, তাঁদের সঙ্গে কারও শত্রুতার প্রশ্নই আসে না। এই চারজনকে অত্যন্ত কাছ থেকে দেখার সুযোগ আমার হয়েছে, তাঁদের সঙ্গে সারা দেশ সফর করেছি, তাঁদের দুর্বলতাও দৃষ্টি এড়ায়নি, কিন্তু তাঁদের মতো নির্দোষ প্রকৃতির ও অক্ষতিকর মানুষ রাজনীতিকদের মধ্যে কমই দেখেছি। তাঁদের সরল জীবনযাপনও ছিল মুগ্ধ হওয়ার মতো।
খুব সকালে যদি নজরুল ইসলাম সাহেবের সঙ্গে কোথাও যাওয়ার সুযোগ হতো, তাঁর বাসভবনে গিয়ে দেখতাম তিনি গেঞ্জি গায় দিয়ে বসে খবরের কাগজ পড়ছেন। মধ্যবিত্তের স্নিগ্ধ সারল্য ছিল তাঁদের দৈনন্দিন আচরণে। কামরুজ্জামান সাহেবের চমত্কার বাংলায় বক্তৃতা আমার খুবই ভালো লাগত। তাঁর গান শোনার সৌভাগ্যও হয়েছে। অতি চমত্কার গলা ছিল। এ ধরনের মানুষের পক্ষে নিষ্ঠুর হওয়া সম্ভব নয়। মনসুর আলী সাহেবকে দেখেছি ’৫৪ সাল থেকেই। উগ্রতার লেশমাত্র ছিল না। তাজউদ্দীন সাহেবের চারিত্রিক স্নিগ্ধতার কথা যাঁরা তাঁর সামান্য সংস্পর্শে এনেছেন তাঁরা খুব ভালো জানেন। কাপাসিয়ায় তাঁদের দরদরিয়া গ্রামে ও তাঁর অন্যান্য আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে তাঁর সঙ্গে গিয়ে দেখেছি তাঁদের সরল জীবনযাপনের চিত্র। এ ধরনের মানুষের কোনো ব্যক্তিগত শত্রু থাকতেই পারে না, তাঁদের যা থাকে তা হলো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ।
তবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা কখনো কাউকে হত্যা করে না, যা করে তা কড়া ভাষায় সমালোচনা, বড়জোর নিন্দা। এই চার নেতা নিন্দিত হওয়ার মতো কাজ করেছিলেন, সে প্রমাণ তাঁদের জীবনের শেষ পাঁচ বছর পাইনি।শেখ মুজিবকে কেন্দ্র করে যে শক্তিশালী বাঙালি জাতীয়তাবাদী নেতৃত্ব গড়ে ওঠে ১৯৫০ ও ’৬০-এর দশকে তার মধ্যে এই চার নেতাও ছিলেন। বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষা বিকাশের পথে প্রতিবন্ধক হিসেবে যে পাঞ্জাবি সামরিক ও বেসামরিক আমলাতন্ত্র ছিল তাদের বিরুদ্ধে অবিচলভাবে আন্দোলন করেছেন তাঁরা। পূর্ববাংলার মানুষকে একটি অভিন্ন লক্ষ্যে পরিচালনার সংগ্রামে তাঁরা যূথবদ্ধভাবে কাজ করেছেন। ধাপে ধাপে তাঁরা কাজ করেছেন অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে, স্বায়ত্তশাসন অর্জন করতে এবং শেষ পর্যায়ে স্বাধিকার অর্জনের লড়াইয়ে। তাঁরা কেউ কোনো বিপ্লবী ছিলেন না, সে দাবি তাঁরা করেনওনি, তাঁরা ছিলেন মধ্যপন্থী জাতীয়তাবাদী নেতা।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু ও পরবর্তীতে ৩ নভেম্বর জেলখানায় যাঁরা নিহত হয়েছেন ষাটের দশক থেকে আমরা তাঁদের কর্মকাণ্ড দেখেছি। বাংলার ছাত্র, শিক্ষক, শ্রমিক, কৃষক, উকিল, রাজনৈতিক কর্মী, সরকারি-বেসরকারি চাকুরে, সাংস্কৃতিক কর্মী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, বাঙালি উঠতি ধনিক শ্রেণী অর্থাত্ সমগ্র জনগণকে একটি অসাম্প্রদায়িক জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছেন তাঁরা। মানুষের মনে স্বাধিকার অর্জনের একটি গভীর আশা জাগিয়ে তুলেছেন। ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ থেকে জনগণকে যুক্ত করে নৃতাত্ত্বিক জাতীয়তার ধারায় রাজনীতিকে নিয়ে আসতে তাঁদের অবদান বিরাট। সবশেষে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়ার সৌভাগ্যও তাঁদের হয়েছিল। স্বাধীনতার পরে তাঁদের হাতেই ক্ষমতা অর্পিত হয়। সেটি ছিল তাঁদের জন্য কঠিনতম পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় তাঁরা প্রত্যাশিতরকম ভালো করেননি।এই চার নেতার বহু অবদান থাকা সত্ত্বেও তাঁদের দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতাও ছিল।
বলিষ্ঠ প্রশাসনিক দক্ষতা তাঁদের ছিল না; কিন্তু দেশের মানুষের সঙ্গে তাঁরা কদাচ বিশ্বাসঘাতকতা করেননি। দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হতে পারে তেমন কাজ তাঁরা সজ্ঞানে করেছেন বলে মনে হয় না। ষাটের দশক থেকে যে মধ্যপন্থী জাতীয়তাবাদী অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি তাঁরা করেছেন, স্বাধীনতার পরেও সেখান থেকে তাঁরা বিচ্যুত হননি। মূল নেতা মুজিবের প্রতি তাঁদের ছিল অবিচল আস্থা। আমি খুব নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে শুনেছি, বাকশালের একদলীয় শাসনের প্রশ্নে এই চার নেতার ভিন্নমত ছিল, তাঁরা সংসদীয় গণতন্ত্রকেই রক্ষা করতে চাইতেন। তবে শীর্ষ নেতার ইচ্ছাকে তাঁরা মূল্য দিয়েছিলেন। কারণ সামান্য মতপার্থক্যে তাঁরা দল ভাঙার পক্ষপাতী ছিলেন না।স্বাধীনতার পর থেকে পনেরো আগস্টের হত্যাকাণ্ড পর্যন্ত বাংলাদেশে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক ধারা ছিল। মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে, যেখানে ধর্মান্ধ মানুষের সংখ্যা প্রচুর, ইসলামপন্থী রাজনীতিও সক্রিয় ছিল নানা মুখোশের মাধ্যমে।
এর মধ্যে সরকার সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গড়ে তোলে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার পুঁজিবাদী সহযোগীরা সরকারের ওই নীতি পছন্দ করেনি। ধর্মনিরপেক্ষতার কারণে সৌদি আরবসহ মুসলিম দেশগুলো বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। ইঙ্গো-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামি দেশগুলো এককাট্টা হয়ে বাংলাদেশে পাকিস্তানি ধরনের ইসলামি রাজনীতির প্রবর্তনের লক্ষ্যেই ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের হত্যাকাণ্ড ঘটায়। ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকে তাঁরা কেউই নিহত হননি।আওয়ামী লীগ সরকারকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র আগে থেকেই ছিল। পশ্চিমা প্রচারমাধ্যমও ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে। ১৫ আগস্ট ভোরবেলায়ই বিবিসি বঙ্গবন্ধু হত্যার খবর প্রচার করে।
সবচেয়ে বিস্ময়কর হলো, লন্ডনের দ্য টাইমস ঠিক ১৫ আগস্ট সকালে একটি বড় বিজ্ঞাপন তার প্রথম পাতায় ছাপে, যেখানে বলা হয়, শেখ মুজিবের ‘ফ্যাসিস্ট ডিক্টেটরশিপ’-এর ধ্বংস চাই, কারণ বাংলাদেশে ‘মানবতা বিপন্ন।’ বিজ্ঞাপনটি যে অজ্ঞাত সংগঠনের নামে দেওয়া হয়েছিল সেটি হলো ‘ক্যাম্পেইন ফর সোশ্যালিস্ট ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ।’ ওই বিজ্ঞাপনের ভারত ও সোভিয়েতবিরোধী বক্তব্য থেকে খুব সহজেই ধারণা করা যায়, ওটি কোনো সমাজতন্ত্রীর নয়, কোনো পাকিস্তানপন্থীর কাজ। কথিত ‘প্রবাসী পূর্ব পাকিস্তান সরকার’ কথাটি থাকায় আরও বুঝতে অসুবিধা হয় না যে পাকিস্তানি রাজনীতির পুনরুত্থানই ছিল ১৫ আগস্ট ও জেল হত্যাকাণ্ডের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
আদর্শগত বিষয়ের বাইরে সেনা কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত উচ্চাভিলাষও সেদিন রক্তপাত ঘটাতে ভূমিকা রেখেছিল। মেজরদের বিতাড়িত করে খালেদ মোশাররফ দেশের ত্রাতা সাজার ফিকির করায় পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়, গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তনের পথ দীর্ঘদিনের জন্য বন্ধ হয় এবং রাজনৈতিক মঞ্চে জিয়াউর রহমান উঠে আসেন। খালেদের একটি রাজনৈতিক আশ্রয় দরকার ছিল বলেই আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করেন। খালেদ তাঁর স্বার্থে অনেকের সাহায্য প্রার্থনা করেছিলেন। মোশতাকের সঙ্গেও তাঁর প্রাথমিক সমঝোতা ছিল। জিয়ার ওপর জেনারেল ওসমানী অপ্রসন্ন ছিলেন।
খালেদ জিয়াকে সরিয়ে দিয়ে নিজে স্বঘোষিত ‘মেজর জেনারেল’ হন এবং নিজে সামরিক আইনশাসক ও মোশাতককে সরিয়ে ওসমানীকে রাষ্ট্রপতি করার পরিকল্পনা করেন। কিন্তু ওসমানী রাষ্ট্রপতি হতে অসম্মত হওয়ায় প্রধান বিচারপতি সায়েমকে শিখণ্ডি রাষ্ট্রপতি বানান। মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ও ইনস্টিটিউট অব গভর্নমেন্ট অ্যান্ড পলিটিক্সের পরিচালক উপমহাদেশ বিশেষজ্ঞ লরেন্স জিরিং তাঁর বাংলাদেশ ফ্রম মুজিব টু এরশাদ-এ লিখেছেন, খালেদ…approached general Osmani to assume the presidency and call upon him to lead the army…Mosharraf was the key figure in the latest drama. (পৃ.১১৬)।
মোশতাক-মোশাররফের ক্ষমতার লড়াইয়ের সময়ই জেলহত্যা ঘটেছে। ক্ষমতালোভী সুবিধাবাদীদের ওটি ছিল মাহেন্দ্রক্ষণ। জিরিং লিখেছেন, the Mosharraf example simply opened the floodgates of self-seekers. (পৃ. ১১৭)।জেলহত্যার সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বোঝার খুব সহজ উপায় হলো, জিয়া ও এরশাদ ১৩ বছর কাদের নিয়ে রাজনীতি করেছেন এবং কোন ধারার রাজনীতি করেছেন, তা বিবেচনা করা। জিয়া ও এরশাদ উভয়েরই সহযোগী ছিল তারাই যারা ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের ঘটনাবলির সঙ্গে যুক্ত ছিল অথবা ওই রাজনীতির সমর্থক। তাদের সেই রাজনীতির ধারাটি ছিল প্রতিক্রিয়াশীল মুসলিম জাতীয়তাবাদী।
এরশাদ ভেতরে ভেতরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে একটা সম্পর্ক রাখলেও তাঁর প্রধান মিত্র ছিল ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের কুশীলবেরা। এরশাদ তো রাষ্ট্রপতি পদে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বেছে নেন লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ ফারুক রহমানকে। আশির দশকে রেডিও ও টেলিভিশনে ফারুক রহমানের বিপ্লবী বক্তৃতা দেশবাসী মনোযোগ দিয়ে শুনেছে। ফ্রিডম পার্টিকে সংসদে নিয়ে আসার সুযোগ কে দিয়েছিলেন ১৯৮৮-তে? আজ সেই সামরিক একনায়ক কোথায়? অন্যদিকে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ফ্রিডম পার্টির নেতা কর্নেল (অব.) আব্দুর রশিদ সাংসদ ‘নির্বাচিত’ হন।
অর্থাত্ প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতির ধারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পরও অব্যাহত থাকে। এবং আজও যে সেই ধারার রাজনীতি প্রচ্ছন্ন ও প্রকাশ্যভাবে অব্যাহত নেই, তা নয়। যদিও অসাম্প্রদায়িক মহাজোট সরকার এখন ক্ষমতায়।সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী, তাজউদ্দীন আহমদ ও কামরুজ্জামান আর কোনো দিন ফিরে আসবেন না। সেটা তাঁদের প্রিয়জন, সমর্থক ও অনুরাগীদের ব্যক্তিগত কষ্ট। তাঁরা আজ আমাদের কাছে স্মৃতি। কিন্তু যা করা সম্ভব তা হলো, যে-ধারার রাজনীতির জন্য তাঁরা প্রাণ দিয়েছেন সেই অসাম্প্রদায়িক সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাজনীতির ধারাটি যদি পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করা যায় সত্যিকার অর্থে এবং দেশ থেকে ধর্মান্ধ সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে নির্বাসন দেওয়া যায়, তা হলে তাঁদের প্রতি সম্মান দেখানো হবে।আমরা স্বাধীনতাসংগ্রামী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী, তাজউদ্দীন ও কামরুজ্জামানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। সৈয়দ আবুল মকসুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
