
যেমন- যারা ব্যাংক ঋণখেলাপি আছেন, ব্যাংকিং ব্যবস্থা স্বাভাবিক হলে তাদের বাদ দিয়ে কার্যক্রম শুরু করতে হবে। আবার যেমন, জলাশয় বা ভূমিদস্যু যারা, তারাও আর টিকতে পারবে না। অসৎ, দুর্নীতিবাজরা পরিত্যাজ্য হবেই। রাষ্ট্র, সমাজ চলবে ভালো মানুষ দ্বারা। অন্যরা মিথ্যুক প্রমাণিত হবেন এবং এটিই করোনার বিশেষ শিক্ষা বলে মনে করি।’
এই অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘আগামী বিশ্ব হবে দক্ষদের। দুর্বলরা হারিয়ে যাবে নির্মমভাবে। এটি বাংলাদেশ এবং বিশ্বের জন্য বিশেষ বার্তা। প্রযুক্তিতে হয়তো আরও উৎকর্ষ সাধিত হবে। কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকার জন্য উৎপাদনে আরও উন্নয়ন ঘটবে এবং ঘটাতে হবে।
বিশেষ করে খাদ্য উৎপাদন এবং খাদ্য নিরাপত্তায় যারা বিশেষ দক্ষতার পরিচয় দেখাতে পারবে, তারাই বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে। এটি যারা দ্রুত বুঝতে পারবে, তারাই প্রস্তুতি নিতে থাকবে। মনে রাখতে হবে করোনায় মানুষ বেশি মরবে না। যদি দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়, তখন মৃত্যুর মিছিল আর ঠেকানো যাবে না।’
এএসএস/বিএ/এমকেএইচ

অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হয়তো তিন কি ছয় মাস পর পৃথিবী নতুন করে চলবে। এই চলা আগের মতো হবে না। যারা এতদিন পৃথিবীকে বিষিয়ে তুলেছে, মানুষের ক্ষতি করেছে, পৃথিবীর ক্ষতি করেছে তারা ধ্বংস হয়ে যাবে। আমি একেবারে নিষ্ঠুরভাবে বলছি।