প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: এদিকে নৃশংসভাবে শহীদুন্নবীকে হত্যার প্রতিবাদ ও দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবিতে সচেতন রংপুরবাসীর ব্যানারে শুক্রবার বিকেলে রংপুর নগরের পায়রা চত্বর এলাকায় মানববন্ধন সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী রাশেদ মাহবুব রাব্বান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডল, বাসদ জেলা শাখার সমন্বয়ক আবদুল কুদ্দুস, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মফিজুল ইসলাম, সৈয়দ মামুনুর রহমান প্রমুখ।
সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়, শনিবার দুপুর ১২টায় রংপুর জিলা স্কুল প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জিলা স্কুলের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি ও বাদ জোহর জিলা স্কুল মাঠে শহীদুন্নবীর গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত লোকজনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে তিনটি রাজনৈতিক সংগঠন। সংগঠন তিনটির নেতারা শুক্রবার পৃথক বিবৃতিতে বলেছেন, নির্মমভাবে শহীদুন্নবীকে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সংগঠন তিনটি হলো বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট।

বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এই নৃশংস ঘটনার জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।’
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল এক বিবৃতিতে বলেছেন, লালমনিরহাটের শহীদুন্নবী হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানানোর ভাষা খুঁজে পাওয়া কঠিন। এ ঘটনায় পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মাসুদ রানা এবং সাধারণ সম্পাদক রাশেদ শাহরিয়ার বিবৃতিতে বলেন, একটি সভ্য সমাজে এভাবে মানুষ হত্যা অকল্পনীয়।