আমার প্রিয় -প্রথম আলো পত্রিকা নিয়ে কিছু বলতে চাই- তার আগে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা পরিচিত মুখ সদাহাস্যজ্বল নিরলস সংবাদকর্মী ফারজানা চৌধুরী পাপড়ি এবং আমাদের সবার প্রিয় খোকনভাইকে, ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন, আবাসিক সম্পাদক, প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা।

করোনাকালে সাংবাদিকতার জন্য প্রথম আলো’র সম্পাদক মতিউর রহমান আমাদের সবার প্রিয় মতিভাইয়ের এ প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিঃসন্দেহে সংবাদকর্মী দের অনুপ্রাণিত করবে এ মহামারী দুর্যোগে নিজ যুদ্ধক্ষেত্রে অটল থাকতে।

যখন ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ছিলাম স্বৈরাচারী শাসক বিরোধী আন্দোলনে, ছিলোনা অনলাইন ফেসবুক বা কোনো আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যম। সেই কঠিন সময়েও প্রথম আলো পত্রিকা ছিলো আমাদের একমাত্র আশার আলো।

এমন একটা দিন যায়নি যে প্রথম আলো পত্রিকা হাতে নিই নাই! তখন চারপাশের পরিস্থিতি কত কঠিন ছিলো তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না,শুধু যারা প্রত্যক্ষ করেছিলেন তারা বুঝবেন। সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও প্রথম আলো পত্রিকাকে পাশে পেয়েছিলাম আর এখন করোনাকালের এই কঠিন সময়ে নিউইয়র্কে যখন অন্যান্য পত্রিকাগুলো একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছিলো তখন প্রথম আলো তার প্রকাশনা অব্যাহত রাখে।

শুধু অব্যাহত রাখে বললে ভূল হবে, এ সময়ের সর্বশেষ সংবাদ পাঠকের দোর গোড়ায় পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করে। যখন মানুষ মৃত্যু চিন্তায় ভীত, আতংকিত তখন সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকেরা ছুটে বেড়িয়েছেন নগরীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত।

আমার বিশ্বাস এই সময়ের প্রথম আলোর ভূমিকা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে। এ সময়ের প্রথম আলো’র প্রতিটি সংখ্যা একেকটি দলিল হয় থাকবে।

আজ থেকে ৫০ বা ১০০ বছর পর করোনা নিয়ে কেউ হয়ত গবেষণা করতে বসে লাইব্রেরীতে প্রথম আলো খুঁজবে। হ্যাঁ, প্রথম আলো’র এ জায়গাতে পৌছানোর পিছনে দিন রাত কাজ করে চলেছেন একদল সংবাদ কর্মী।

প্রথম আলোকে কেন্দ্র করে এখানে মিলিত হয়েছেন লেখক, সাংবাদিক, কবি, সাহিত্যিক, গীতিকার, সাংস্কৃতিক কর্মী, সংগঠক, গায়ক, অনেক মেধাবী, বিজ্ঞ, প্রজ্ঞাবান মানুষ।

প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা বাঙ্গালি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, ইতিহাস, কৃষ্টি ও সাহিত্য চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সাধুবাদ। আমরা আছি, ভালোর সাথে আলোর পথে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here