তাঁকে স্বাধীনতা–পরবর্তী সিলেট অঞ্চলের জনপ্রিয় নেতা হিসেবে অনেকেই শোকবার্তায় উল্লেখ করেছেন।
করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ জুন দিবাগত রাত তিনটার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের মৃত্যু হয়।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা কাজী কয়েস, আবদুর রহিম বাদশাহ, এনাম, রব্বানী চৌধুরী, আবদুল হাসিব মামুন, শাহীন আজমল, শেখ আতিক প্রমুখ তাঁদের শোকবার্তায় বলেছেন, কামরানের মৃত্যু নিজেদের পরিবারের একজনের মৃত্যুর মতো। কামরানের মতো নেতার সিলেটবাসীকে দেওয়ার মতো অনেক কিছু বাকি থেকে গেল। বড় অসময়ে তাঁর এ চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে যে শূন্যতার সৃষ্টি হলো, তা অপূরণীয় ক্ষতি।

বদরউদ্দিন আহমদ কামরান ৫ জুন করোনায় সংক্রমিত হন। পরদিন তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সিলেটে করোনা চিকিৎসায় সরকারনির্ধারিত হাসপাতাল শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তাঁর অবস্থা ক্রমে অবনতি হলে ৭ জুন সিলেট থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাঁকে সিএমএইচ নিয়ে যাওয়া হয়। কামরানের স্ত্রী সিলেট মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসমা কামরানও করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। গত ২৭ মে পরীক্ষায় তাঁর করোনা ধরা পড়ে। তিনি বর্তমানে সিলেটের বাসায় আইসোলেশনে (বিচ্ছিন্ন) থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
