বইটিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে-ফেব্রুয়ারির ৮ তারিখে একই রকম তৎপরতা চলে মিটফোর্ড মেডিকেল স্কুল বা জগন্নাথ কলেজে, তেমনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেলেও। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে তো বটেই।
একই দিন অর্থাৎ ৮ ফেব্রুয়ারি অন্যদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অথবা বলা যায় বিশেষ তাৎপর্যে যুবলীগের কার্যকরী কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়-সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সঙ্গে সমন্বয় ঘটিয়ে ঢাকাসহ প্রদেশের সর্বত্র একুশের কর্মসূচি সফল করে তোলার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালানোর। বোঝা যায় এ সিদ্ধান্তের নেপথ্য উদ্দেশ্য। যে যেমনই বলুন, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলা চলে একুশের সফল সমাপনে যুবলীগের অবদান বোধ হয় সর্বাধিক। সেই সঙ্গে অনুরূপ অবদান কয়েকটি ছাত্রাবাসের। এদের কর্মীরা অক্লান্ত শ্রমে দিনের পর দিন মিছিলে মিছিলে লাগাতার স্লোগান তুলেছে-রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই, রাজবন্দিদের মুক্তি চাই।

এই কর্মসূচি ঘোষণার মধ্যদিয়ে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে নতুন গতি পায়। নানা তথ্যভাণ্ডার খুঁজে বিশেষ করে যে কয়েকটি দিনের নানা তৎপরতার খবর পাওয়া যায়-তার মধ্যে ৮ ফেব্রুয়ারি ছিল অন্যতম।