বিজয়ী বাংলাদেশীঃ শুয়েব আহমেদ শওকতি


একদা এক মহোৎসব লগ্নের স্মৃতি
জেগে ছিল রক্ত লাল রবি শশী।
পূর্ব বাংলার নবাকাশে বিজয় উজ্জল জ্যোতি
বিষাদ সিন্ধুর জলস্নাতে প্রজ্জল আলো রশ্মী।
৭১এর ভয়াবহ নৃশংস আর্তনাদের ধ্বনি
নির্যাতিত মানুষের হুংকারে কম্পিত ধরনী।
বাংলার মসজিদ,মন্দির,গীর্জা চার্চের পবিত্র মাটি
নূংরা করে ছিল অসতি জারজ সন্তান পূন্য ভূমি।
গণহত্যা,অগ্নিসংযোগ আর গোলাবারুদের গন্ধে
প্রকম্পিত রণক্ষেত্রের রণাঙ্গণে বশ্মিভূত দেহে।
গুলী ঝাজরা লাশের স্তুপে,শহর বন্দর জনপথ
গলিত পচিত শবের দূর্গন্ধে অলি গলি রাজ পথ।
আজও আমরা তাদেরে নি:সন্দেহে চিনি
দেশ দ্রোহি যুদ্ধাপরাধীর কুখ্যাত রাহাজানী।
তিলেতিলে গ্রাস করছে মুক্ত দেশের সার্বভৌমত্ব
ধংস করছে স্বনির্ভর জাতির গর্বিত আভিজাত্য।
পঙ্গু করিছে জাতির সার্বিক কর্মকান্ড
বিকল করে দেশ ও জাতির মেরুদন্ড।


করিছে রক্ত শোষন ধুলিসাৎ করিতে বাংলার বাঙালী
ছলে, বলে কৌশলে সতি মায়ের সন্তান করে বিভ্রান্তি।
আজ বিগত এত বৎসর পরও বাংলাদেশী
কাক্ষিত বিজয় পেয়েও হইনি মোরা বিজয়ী।
পাকিস্তানের গুলামী ছেড়ে হইনি বিজয়ী
এখন তাদের জারজ সন্তানের করি গুলামী।
ত্যাগ তিতিক্ষা দু:খ ক্লেশ লাঘব করি
রক্ত বন্যায় সাতার কেটে হয়েছি জয়ী।
এ কথা যে যায় ভূলে সে নয় বাংলাদেশী
জাতির চির দুষমন কাপুরুষ নি:শ্চয়ই।
বাংলা মায়ের বীর সন্তান সদা জাগ্রত
বাংলার মাটি রাখিবে তারা চির মুক্ত।
মা বোন সম্ভ্রম বিসর্জন করে কত হয়েছে শহিদ
তাদের আত্ম ত্যাগে মর্ম স্পন্দনে গাহি শোক গীত।
বিজয়ের গরবে নন্দিত মোরা বাংলাদেশী
বুক ফুলিয়ে মাথা উচু করি বিশ্ব জুড়ি।
রাজাকার জারজ গাদ্দার মুক্ত বাংলাদেশ চাই
মুক্তি যুদ্ধার বলিদানের মর্যাদা আর্দশেই ঠাই।
চাই না রাজাকার তাবেদারী রাজনীতি
মুক্তিযুদ্ধার আর্দশে ধংশ কর দূরনীতি।
স্বাধীন সার্বভৌম বিজয়ানন্দে বঙ্গবাসী
দেশপ্রেমী চিরঞ্জীব বিজয়ী বাংলাদেশী।

,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *