প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ব্রিটিশ বাংলাদেশীদের মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। আজ ৮ এপ্রিল বুধবার দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়ায় তাদের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছেন তাদের স্বজনরা। এর মধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৩ ব্যক্তির মৃত্যুবরণ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন স্বজনরা।

তবে এর বাইরেও আরো কয়েকজনের মৃত্যুর খবর বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়ায় এসেছে। সরকারী সূত্রে সঠিক কোন পরিসংখ্যান প্রকাশিত না হলেও স্যোশাল মিডিয়ার পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে ব্রিটেনে এ পর্যন্ত ৩৯ জন বাংলাদেশী মৃত্যুবরণ করেছেন।

ব্যারিস্টার মনির জামান শেখ:
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মৃতু বরণ করেছেন আইনজীবি ব্যারিস্টার মনির জামান শেখ। তিনি মঙ্গলবার রাত ১০টায় লন্ডনের নিউহাম হাস্পাতালে ইন্তেকাল করেন বলে বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়ায় তার স্বজনরা জানিয়েছেন। তিনি আইন পেশায় লন্ডনের পি জি এ সলিসির্টস এর প্রিন্সিপ্যাল হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সমাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি গ্রেজয়েট ক্লাব ইউ কে সভাপতির দায়িত্ব পালন। ৬২ বছর বয়সী ব্যারিস্টার মনির জামান শেখ এর দেশের বাড়ী বাগেরহাট জেলা রামপাল থানার কুমলাইগ্রামে। তার এক মেয়ে স্বামীসহ যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন।

আলহাজ্ব বদরুল হকঃ
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন প্রবীণ কমিউনিটি নেতা “আলহাজ্ব বদরুল হক”। ৬৫ বছর বয়সী “আলহাজ্ব বদরুল হক” ইষ্ট-লন্ডনের কমার্শিয়াল রোড়ের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন থেকে হৃদরোগ ও ফুসফুস ক্যান্সারে ভুগছিলেন। শেষ মূহর্তে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছিলেন।

তিনি ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার রাতে লন্ডনের একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি মা, স্ত্রী ৪ ছেলে রেখে গেছেন। তার দেশের বাড়ী গোলাপগঞ্জ উপজেলার বহর গ্রাম নিবাসী।

মরহুম “আলহাজ্ব বদরুল হক” বহরগ্রাম জনমঙ্গল সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসহ গোলাপগঞ্জের একাদিক সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন।

মফিজুল ইসলাম বকুলঃ
এদিকে যুক্তরাজ্যের স্কটল্যান্ডের বসবাসকারী মফিজুল ইসলাম বকুল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত গত ৪ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন। স্যোশাল মিডিয়া সূত্রে জানাগেছে, তিনি ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলার নবীনগর থানার বগডহর গ্রামের ইদ্রিছ বপারীর ছেলে।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও ২ সন্তানকে রেখে গেছেন। তিনি ইটালির ভিসেন্সার মালো শহরে বসবাস করতেন।
গতকাল মঙ্গলবার ৭ই এপ্রিল স্কটল্যাল্ডের বাংলাদেশী কমিইউনিটি কর্তৃক তার মৃত্যদেহ গোসল করানো হয়, তারপর মৃত্যের জানাযা সম্পন্ন হয়।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ব্রিটিশ বাংলাদেশীদের মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। আজ ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়ায় তাদের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছেন তাদের স্বজনরা। এর মধ্যে দুই প্রবীন ব্যক্তিত্ব রয়েছেন। সরকারী সূত্রে সঠিক কোন পরিসংখ্যান প্রকাশিত না হলেও স্যোশাল মিডিয়ার পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে ব্রিটেনে এ পর্যন্ত ৩৬ জন বাংলাদেশী মৃত্যুবরণ করেছেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার ভোরাতে মৃত্যুবরণ করেছেন পূর্ব লন্ডনের স্টেপনীগ্রীনের বাসিন্দা জামিল আহমদ আজাদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তিনি স্ত্রী ৩ ছেলে ৪ ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখেগেছন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত কিডনি জটিলতা সহ নানান রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তার দেশের বাড়ী সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার বুধবারী বাজার ইউনিয়নের বানীগ্রামে।

হাজী খলিলুর রহমানঃ
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সোমবার বিকালে ইন্তেকাল করেছেন লিভারপুলের বাসিন্দা ৬০ বছর বয়সী হাজী খলিলুর রহমান। তাঁর দেশের বাড়ী সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার খুছকিপুর গ্রামে। তিনি দীর্ঘদিন যাবত কিডনি জটিলতা সহ নানান রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনিই স্ত্রী দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।

করোনায় ব্রিটেনে দুই সহোদরসহ ৪ বাংলাদেশীর মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ব্রিটিশ বাংলাদেশীদের মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। আজ সোমবার দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়ায় তাদের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছেন তাদের স্বজনরা। এর মধ্যে দুই সহোদর রয়েছেন। সরকারী সূত্রে সঠিক কোন পরিসংখ্যান প্রকাশিত না হলেও স্যোশাল মিডিয়ার পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে ব্রিটেনে এ পর্যন্ত ৩৪ জন বাংলাদেশী মৃত্যুবরণ করেছেন।

দুই সহোদরের ইন্তেকাল :
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১০ দিনের ব্যবধানে আপন দুই সহোদর ইন্তেকাল করেছেন। তারা পূর্ব লন্ডনের শেডওয়েলহিথ এলাকায় বসবাস করতেন বলে জানাগেছে।

গত ২৬ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন বড়ভাই দেলোয়ার ওয়াহিদ ( ৩৭)। আর ৫ এপ্রিল মৃত্যু বরণ করেন ছোট ভাই এনামুল ওয়াহিদ (৩২)।

তাদের দেশের বাড়ী নবীগঞ্জ উপজিলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিনগ্রাম। তাদের পিতার নাম আব্দুল ওয়াহিদ। তারাইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আব্দুর রউফ এর ভাতিজা।

তাদের নিকট আত্মীয় নাসির আহমদ শ্যামল জানিয়েছেন মৃত দেলোয়ার ওয়াহিদ এর স্ত্রী দুই ছেলে রয়েছে। অপর দিকে মৃত এনামুল ওয়াহিদ স্ত্রী ১ ছেলে ১ মেয়ে রেখে গেছেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ব্রিটিশ বাংলাদেশীদের মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। আজ ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়ায় তাদের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছেন তাদের স্বজনরা। এর মধ্যে দুই প্রবীন ব্যক্তিত্ব রয়েছেন। সরকারী সূত্রে সঠিক কোন পরিসংখ্যান প্রকাশিত না হলেও স্যোশাল মিডিয়ার পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে ব্রিটেনে এ পর্যন্ত ৩৬ জন বাংলাদেশী মৃত্যুবরণ করেছেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার ভোরাতে মৃত্যুবরণ করেছেন পূর্ব লন্ডনের স্টেপনীগ্রীনের বাসিন্দা জামিল আহমদ আজাদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তিনি স্ত্রী ৩ ছেলে ৪ ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখেগেছন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত কিডনি জটিলতা সহ নানান রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তার দেশের বাড়ী সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার বুধবারী বাজার ইউনিয়নের বানীগ্রামে।

হাজী খলিলুর রহমানঃ
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সোমবার বিকালে ইন্তেকাল করেছেন লিভারপুলের বাসিন্দা ৬০ বছর বয়সী হাজী খলিলুর রহমান। তাঁর দেশের বাড়ী সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার খুছকিপুর গ্রামে। তিনি দীর্ঘদিন যাবত কিডনি জটিলতা সহ নানান রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনিই স্ত্রী দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।

মাওলানা আব্দুল মুকিতের ইন্তেকাল:
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আজ সোমবার ইন্তেকাল করেছেন প্রবীণ কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মাওলানা আব্দুল মুকিত (৬৭ আনুমানিক)। তিনি পূর্ব লন্ডনের স্টেপনীগ্রীনের বাসিন্দা। জানাগেছে মাত্র ৩ সাপ্তাহ পূর্বে তিনি বাংলাদেশ থেকে সংক্ষিপ্ত সফর থেকে যুক্তরাজ্যে ফিরেন। তার দেশের বাড়ী বিয়ানীবাজার উপজেলার তিলপাড়া ইউনিয়নের দাসউড়া গ্রামে।

তিনি যুক্তরাজ্যে কাউন্সিল অব মস্কসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। একই গ্রামের বাসিন্দা বিশিষ্ট ক্যাটারার্স ফরহাদ হোসেন টিপু এক ফেইসবুক বার্তায় এ খবর নিশ্চিত করেছেন। জানাগেছে মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ৪ ছেলে ২ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।

টুনু মিয়ার ইন্তেকাল:
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন পূর্ব লন্ডনের ক্যানিং টাউনের বাসিন্দা প্রবীণ কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব বদরুল ইসলাম টুনু মিয়া। তার দেশের বাড়ী সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের কোনারাই গ্রামে।

তিনি গত ৫ এপ্রিল রবিবার লন্ডনের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। ফেইসবুকে তার স্বজনরা জানিয়েছেন তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থেকে কমিউনিটির উন্নয়নে কাজ করে গেছেন। তার সম্পর্কে এর চেয়ে বেশি তথ্য পাওয়া যায়নি।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরো ৩ ব্রিটিশ বাংলাদেশী মৃত্যু বরণ করেছেন। গতকাল শনিবার বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়ায় তাদের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছেন তাদের স্বজনরা।

সরকারী সূত্রে সঠিক কোন পরিসংখ্যান প্রকাশিত না হলেও স্যোশাল মিডিয়ার পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে ব্রিটেনে এ পর্যন্ত ৩০ জন বাংলাদেশী মৃত্যুবরণ করেছেন।

সর্বশেষ যে ৩জন ইন্তেকাল করেছেন তারা হচ্ছেন:
মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত লুটনের একই পরিবারে মা ও ছেলে মৃত্যুবরণ করেছেন। গত ১লা এপ্রিল ছেলে দীবুল আহমদ ইন্তেকাল করেন। ছেলের মৃত্যুর ৫ দিনের মাথায় ৫ এপ্রিল মারা গেলেন দীবুল আহমদের মা। শুধু মা-ছেলের মৃত্যুই শেষ নয়, আক্রান্ত হয়েছেন দীবুল আহমদের পিতা হাসান আহমদ, স্ত্রীসহ ৩ পুত্র সন্তান।

লুটনের সফল ব্যবসায়ী মরহুম দীবুল আহমদের বয়স আনুমানিক ৫৪। তার দেশের বাড়ী সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউপির ভাংগী গ্রামে। তিনি যুক্তরাজ্যে ও বাংলাদেশে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন।

এই মৃত্যুর ঘটনায় পুরো দক্ষিণ সুরমা বাকরুদ্ধ। দেশে থাকা স্বজনদের মধ্যে চলছে কান্নার রোল। যুক্তরাজ্যের লুটন কমিউনিটিতেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের হাইডের বাসিন্দা আলহাজ্ব মো: আকিকুর রহমান। তিনি শনিবার রাতে টেইমসাইড জেনারেল হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। স্থানীয় সাংবাদিক মিজানুরর রহমান মিজান জানিয়েছেন এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে া শুধু হাইডে ৫ জন দুই জন ইন্তেকাল করেছেন।

মরহুম আকিকুর রহমানের দেশের বাড়ী সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার কুবাজপুর গ্রামে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরো ৪ ব্রিটিশ বাংলাদেশী মৃত্যু বরণ করেছেন। গতকাল শুক্রবার বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়ায় তাদের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছেন তাদের স্বজনরা। সরকারী সূত্রে সঠিক কোন পরিসংখ্যান প্রকাশিত না হলেও স্যোশাল মিডিয়ার পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে ব্রিটেনে এ পর্যন্ত ২৭জন বাংলাদেশী মৃত্যুবরণ করেছেন।
সর্বশেষ যে ৪জন ইন্তেকাল করেছেন তারা হচ্ছেন:

গ্রেটার ম্যানচেষ্টারস্থ হাইডের বাসিন্দা হাইড জামে মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারের বর্তমান চেয়ারম্যান হাজী মনসুর খান ৩ এপ্রিল শুক্রবার দুপুরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার দেশের বাড়ী সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার আসার কান্দি ইউনিয়নের তিলক গ্রামে।
হাজী মনসুর খান পূর্বেই হার্টে সমস্যায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হলে তিনি মৃত্যু বরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।
এদিকে তার মৃত্যুর সংবাদ ছডিয়ে পড়লে কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে।
তার মৃত্যুতে জাষ্ট হেল্প ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা ও তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেছেন জাষ্ট হেল্প ফাউন্ডশনের চেয়ারম্যান ও হাইড জামে মসজিদের ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান।

এদিকে লন্ডনের ইলফোর্ডের একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন ব্যবসায়ী দিলাল আহমদ। ৩ এপ্রিল শুক্রবার দুপুরে তিনি ইন্তেকাল করেন। তার দেশের বাড়ী সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার পূর্ববাঘা ইউনিয়নের তুড়–গাও গ্রামে।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে রেখেগেছেন। মরহুম দিলাল আহমদ যুক্তরাজ্যে ও বাংলাদেশে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে সমাজ উন্নয়নে ভূমিকা রেখে গেছেন। তিনি গোলাপগঞ্জ বাঘা ইউনিয়ন ডেভোলাপমেন্ট অর্গানাইজেশনের সাবেক যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

শুক্রবার সকালে লন্ডনের ইজলিংটনের বাসিন্দা আলহাজ্ব এরশাদ মিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হোমারটন হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। তার দেশেরবাড়ী মৌলভীবাজারের পাগুলিয়ায় বলে জানিয়েছেন বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা কে এম আবু তাহের চৌধুরী। মরহুম আলহাজ্ব এরশাদ মিয়া সম্পর্কে এর চেয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি।

শনিবার সকালে ইন্তেকাল করেছেন ইসলামিক স্কলার আবু সাঈদ আনসারীর শাশুড়ী। তিনি প্রবীন মুরব্বি সানোয়ার আলী স্ত্রী রূপজান বিবি। তিনি মিডলসেক্স হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তিনি দীর্ঘদিন যাবত বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগলেও সম্প্রতি করোনাভাইরাসে আক্রান্তহন। কিছুদিন তাকে হাসপাতালেও রাখা হয়। ওয়েস্ট লন্ডনের বাসিন্দা রুপজান বিবি ৪ মেয়ে ২ পুত্র সন্তান রেখে গেছেন। তার দেশের বাড়ী সিলেট দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাবাজারের বনগাঁও গ্রামে। মাওলানা আবু সাঈদ আনসারী ফেইসবুক বার্তায় তার শাশুড়ীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও যাদের মৃত্যু সংবাদ আমাদের নজরে আসেনি বা সংবাদ মাধ্যমে প্রেরণ করেননি তাই প্রত্যেকের ছবি সংবাদ প্রকাশ করতে পারিনি বলে অত্যন্ত দুঃখিত। তবে ের মধ্যে যদি আমাদের মধ্যে সংবাদ এসে পৌছায় আমরা এই নিউজটি আপডেট করব। আমাদের সাথেই থাকুন।

 

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here