রায়পুরে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ দশম শ্রেণির ছাত্রের


তামিমকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। তারা উভয়ে স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তামিম দক্ষিণ চরবংশি ইউনিয়নের চরকাছিয়া গ্রামের মাঝি বাড়ির পল্লী চিকিৎসক মো. সেলিমের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ বছর ধরে কিশোরীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে ওই কিশোর। বিয়ের প্রলোভন দিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে কিশোরীর সাথে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলা হয়। বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করলে কিশোর অস্বীকৃতি জানায়। কোনো উপায় না পেয়ে ওই কিশোরী রায়পুর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

রায়পুরে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ দশম শ্রেণির ছাত্রের

অভিযুক্তের বাবা মো. সেলিম ও মামা জয়নাল জানান, কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি। মেয়েটিকে বিয়ে করার জন্য তার পরিবার পরিকল্পিতভাবে ঘটনা সাজিয়ে কিশোর তামিমের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জলিল বলেন, কিশোর তামিমের সামনে কিশোরী জবানবন্দী দিয়েছে। তার ভিত্তিতে ধর্ষণ মামলা রেকর্ড হয়েছে। শনিবার সদর হাসপাতালে মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে উভয়কে আদালতে পাঠানো হবে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *