এতে দেখা যায়, তৃতীয় স্থানে রয়েছেন এলভিএমএইচ সিইও বার্নার্ড আর্নল্ট। তার সম্পদের পরিমাণ ১৯৭ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ শীর্ষ তিন ধনীর সম্পদ একদম কাছাকাছি। ২০২৪ সালে বেজোস এখন পর্যন্ত ২৩ বিলিয়ন ডলার আয় করেছেন, যেখানে মাস্ক হারিয়েছেন ৩১ বিলিয়ন ডলার। এই দুই বিলিয়নেয়ারের সম্পদ অর্জন অনেকাংশেই নির্ভর করে আমাজন ও টেসলার মতো কোম্পানিগুলোর স্টক মার্কেটের ওপর। অ্যামাজনের শেয়ারের দাম এই বছর ১৮ শতাংশের বেশি বেড়েছে। অপরদিকে টেসলার কমেছে ২৪ শতাংশ।
এই মাসের শুরুতে ৮.৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের অ্যামাজন শেয়ার বিক্রি করেন বেজোস। তারপরেও ই-কমার্স জায়ান্টের ৯.৫৬ শতাংশের শেয়ার এখন তার। তিনিই এর সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডার। অপরদিকে টেসলায় মাস্কের প্রায় ২০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। শীর্ষ ধনীর তালিকা দ্রুতই আবার বদলাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সার্বিকভাবে ধনীরা তুলনামূলক আরও ধনী হয়ে চলেছেন। ২০২০ সালের পর বিশ্বের সবথেকে ধনী পাঁচ জনের সম্পদ দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।
