সরকার জনগণকে সত্য ভুলিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে: নজরুল ইসলাম খান


বিজ্ঞাপন

নজরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘কেউ এখন আইন করে কিংবা কোনো আদালতের রায় দিয়ে যদি আমাকে বলে যে তুমি নিজের কানে যা শুনেছ, সেটা বিশ্বাস কোরো না, আমি কী করে তা মানব? আমি তো কারও কাছ থেকে শোনা কথা বলছি না।

কিন্তু আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সত্য ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। দেশকে এ ধরনের অপরাধ থেকে মুক্ত করতে হবে। যাঁর যা প্রাপ্য, সেটা তাঁকে দিতে হবে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘মহান ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে অনেক সংগ্রাম-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতাসংগ্রামে পৌঁছেছি, যুদ্ধ করেছি। এ সময় যাঁরা নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁরা সবাই শ্রদ্ধা পাওয়ার যোগ্য। ১৯৭০-এর নির্বাচনে যাঁরা বিজয়ী হয়েছিলেন, গণতন্ত্রের স্বাভাবিক নিয়মে তাঁদের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়নি বলেই তো যুদ্ধ করতে হয়েছিল। তাই গণতন্ত্রের জন্য, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সে সময়ে যাঁরা রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁদেরও শ্রদ্ধা করতে হবে।’

নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়াসহ তাঁর দুই সন্তানকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কারাগারে মাসের পর মাস কাটাতে হয়েছে। তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধা। তাঁদের প্রতিও আমাদের শ্রদ্ধা।’ তিনি বলেন, ‘কিন্তু কী দুর্ভাগ্য আমাদের, যিনি একাত্তর সালে পাকিস্তানি বাহিনীর কারাগারে দুই সন্তানসহ বন্দিজীবন কাটিয়েছেন, আজ তাঁকেই আবার এ সরকারের আমলে মিথ্যা অভিযোগে অসুস্থ অবস্থায়ও কারারুদ্ধ হয়ে থাকতে হচ্ছে।’

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘তোমরা সত্য জানার চেষ্টা করো। মনে রাখবে, জ্ঞান তা-ই, যা সত্য। মিথ্যা জানা জ্ঞান নয়। যারা মিথ্যা জানাতে চায়, তারা আমাদের অজ্ঞানতার অভিশাপে আবদ্ধ করতে চায়।’

দলের স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন, স্বরচিত কবিতা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা কমিটির আহ্বায়ক সেলিমা রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব কবি আবদুল হাই শিকদারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, মীর নেওয়াজ আলী, সেলিম রেজা, মেজবাহ আহমেদ, আবদুল বারী, আমিনুল ইসলাম, আবেদ রাজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *