শাহ আহমদ সাজ

জর্জিয়া, ইউটাহ, মন্টানা, নর্থ ক্যারোলিনা, আইওয়া এবং ওহাইয়ো রাজ্যে প্রতিদিনই বিপুলসংখ্যক মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে। এ অবস্থায় টেক্সাস, ফ্লোরিডা, আরিজোনা, জর্জিয়ার কিছু এলাকায় পুনরায় লকডাউনের কথা ভাবছেন সিটি ও রাজ্য প্রশাসন।
টেক্সাসের গভর্নর গভর্নর গ্রেগ অ্যাবোট করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন। করোনাবিষয়ক এই পরিস্থিতির কথা জানিয়ে গ্রেগ বলেন, মাস্ক না ব্যবহার করলে আবার লকডাউন জারি করা হবে।টেক্সাসে বুলেট ট্রেনের গতির মতো ভাইরাস ছাড়াচ্ছে। সর্বশেষ রাজ্যটি ২ লাখ ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজারেরও বেশি।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও একই পরামর্শ দিয়েছেন যে, লকডাউনের বিকল্প নেই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে। এপ্রিলের ২৪ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৬ হাজার ৭৩৮। তারপরই কমতে শুরু করেছিল সর্বত্র। যদিও দৈনিক গড়ে ২০ হাজার জন করে সংক্রমিত হয়েছে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চাপে যেসব রাজ্য লকডাউন শিথিল করা হয়েছে, সেগুলোতে জুনের মাঝামাঝি অস্বাভাবিক হারে বাড়তে শুরু হরে।
চলতি সপ্তাহে আলাবামা, আরিজোনা, ফ্লোরিডা, মিসিসিপি, নর্থ ক্যারোলিনা, সাউথ ডাকোটা, টেক্সাস এবং টেনেসিতে প্রতিদিনই সংক্রমণের সংখ্যা আগের দিনের রেকর্ড ভেঙেছে। সে সময়ে মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার সে সংখ্যা ছিল ৬০৮। অথচ জুলাইয়ের শুরুতে সর্বোচ্চ সংখ্যা ছিল ৪৭১ জন। যদিও মধ্য এপ্রিলে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ২২০০ জনেরও বেশি ছিল সারা আমেরিকায়। সে সময়ে নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়াসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যসমূহে মহামারীর আকার ধারণ করেছিল।
এদিকে, হোয়াইট হাউজের করোনা টাস্কফোর্সের অন্যতম সদস্য ড. ডেবরাহ এল বার্ক্স গভীর উদ্বেগের সাথে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন শীঘ্রই করোনায় আক্রান্তদের মৃত্যুর সংখ্যা আরও চরমে উঠতে পারে, যদি স্বাস্থ্যবিধি বজায় না রাখা হয়।
