এমসিয়ান মোহাম্মেদ আওলাদ হোসেইন – ম আ মোশতাক


মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন ১৯৬৭ সালে সিলেট জেলার অন্তর্গত দক্ষিণ সুরমা থানার তুরুকখলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মোহাম্মদ তেরা মিয়া। তার গ্রামের বাড়ি ওসমানীনগর থানার অন্তর্গত দয়ামীর ইউনিয়নের চুনার পাড়ায়।

তার প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় খন্দকার বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে যা ওসমানীনগরে অবস্থিত। তারপর দক্ষিণ সুরমা অবস্থিত জালালপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৮৩ সালে এমসি ইন্টারমিডিয়েট কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন।

১৯৮৫ সালে তিনি সফলভাবে এইচএসসি পরীক্ষা পাস করে ১৯৮৬ সালে তিনি তৎকালীন সিলেট বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ বর্তমানে এম সি কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে অনার্সে ভর্তি হন। অনার্স ডিগ্রি অর্জনের পর মাস্টার্স করার জন্য তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হন এবং সেখান থেকে তিনি মাস্টার ডিগ্রি সমাপন করেন।

এমসি কলেজে অধ্যয়ন কালীন সময়ে তিনি ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন জাসদ সমর্থিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং হোস্টেল শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে যোগদান করেন।

 

মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন ছাত্র হিসেবে অত্যন্ত মেধাবী এবং সব সময় হাস্যজ্জল ভাবে সবার সাথে মিলেমিশে গল্পগুজব করতেন।

ছাত্রজীবন শেষ করে তিনি জালালপুর কলেজে প্রভাষক পদে যোগদান করেন এবং বর্তমানে এই কলেজে অধ্যক্ষ পদে কর্মরত আছেন। বর্তমানে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।

২০০০ সালের মার্চ মাসে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন, তার সহধর্মিণীর নাম মোসাম্মৎ আমাতুত তাহেরা। তাদের দুই মেয়ে বড় মেয়ে নুসাইবা মৌলা তাওহিদা বয়স ১৯ বছর এবং বর্তমানে ইংরেজি অনার্সে প্রথম বর্ষে অধ্যায়নরত। ছোট মেয়ে তাহরিমা মৌলা তানিসা বয়স ১৮ বছর বর্তমানে এলএলবি অনার্স প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত।

মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন শিক্ষকতার পাশাপাশি সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত । তিনি জালালপুর প্রভাতী সংঘের বর্তমান সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শিক্ষার উন্নয়নের জন্য এমসিআনদের সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা যেতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এমসিআনদের উদ্যোগে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এতে করে এমসিআনদের সন্তানদের কর্মসংস্থান ও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা যেতে পারে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

বন্ধুবান্ধব কয়জন মিলে গ্রুপ ভিত্তিক অর্থনীতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং তা পরিচালনা করা হলে আর্থিক সচ্ছলতা আনয়ন এর মাধ্যমে সামাজিক দায়িত্ব পালন করা সম্ভব, উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, একটি পার্ক তৈরিতে বিনিয়োগ করলে এতে সামাজিক বিনোদনের ক্ষেত্রে সৃষ্টি হলো আবার আর্থিক সচ্ছলতা ও আসলো এতে করে মানবতার কল্যাণ সাধিত হবে বলে তিনি মনে করেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *