তরুণ উদীয়মান কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সমাজকর্মী, আইনজীবী ও রাজনৈতিক কর্মী জনাব মোস্তফা আহমেদ মোশতাক ১৯৬৫ সালে সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার চরচন্ডি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন । তার পিতা মরহুম আলহাজ্ব আবদুর রউফ (দৌলতপুর ইউনিয়নের প্রথম চেয়ারম্যান ও সিলেট শহরের জিন্দাবাজার এলাকায় সুলভ বস্রালয়ের একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন । তার মাতার নাম মরহুমা পিয়ারা বেগম ।

শিক্ষা জীবনঃ
তিনি ১৯৭৭ সালে মিরাবাজার কিশোরীমোহন থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপন করে ১৯৮৩ সালে এইডেড হাই স্কুল থেকে এস, এস, সি, ১৯৮৫ সালে এম সি কলেজ থেকে এইচ, এস, সি ও ১৯৮৮ সালে সিলেট বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে বিএসসি পাস করেন । অতঃপর ১৯৮৯ সালে যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান । সেখানে তিনি ১৯৯১ সালে সিটি এন্ড ইষ্ট লন্ডন কলেজ থেকে ইন্স্যুরেন্স এন্ড ফাইন্যান্স বিষয়ে ডিপ্লোমা, ১৯৯৪ সালে টেমসাইড কলেজ থেকে সুপারভাইজরি ম্যানেজমেন্ট ও টেমসাইড কাউন্সিল থেকে ইয়ুথ এন্ড কমিউনিটি ডিপ্লোমা, ২০০৪ সালে ওল্ডহ্যাম বিজনেস ম্যানেজমেন্ট স্কুল থেকে ইমিগ্রেশন ল ডিপ্লোমা, ইউনিভার্সিটি অফ সালফোর্ডে এলএলবি অনার্স ও বর্তমানে তিনি বারিষ্টার ট্রেইনিং ও ল বিষয়ে মাস্টার্স শেষ বর্ষে অধ্যয়নরত ।

কর্মজীবন
তিনি ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত টেমসাইড কাউন্সিলে হাউজিং অফিসার, ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত রচডেল বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র অ্যাডভাইজার, ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ওল্ডহ্যাম গ্লডুইক সোসাইটির সাথে প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন । ২০০৫ সাল থেকে তিনি ইমিগ্রেশন আইন ব্যবসা শুরু করেন । বর্তমানে তিনি সুপ্রিম এন্ড কোঃ নামে ওল্ডহ্যামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্টান রয়েছে এবং ম্যানচেস্টারে সলিসিটার এর সাথে একজন আইনজীবী হিসেবে কাজ করছেন ।

রাজনৈতিক জীবনঃ
জনাব মোশতাক এম সি কলেজে অধ্যয়নকালে ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত হন। এম সি কলেজের নানাবিধ সমস্যা নিয়ে তৎকালিন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মোহাম্মেদ এরশাদের স্মরনাপন্ন হলে কেলেজের জন্য একটি বাস সহ অন্যান্ন দাবি দাওয়া আদায়ে সক্ষম হন। তাছাড়া সিলেটের ছাত্র রাজনীতির একজন সম্মুখ সারির নেতা ছিলেন। ১৯৮৯ সালে তিনি যুক্তরাজ্যে আগমনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বি এন পি লন্ডন শাখার সহকারী সাধারন সম্পাদক ও যুক্তরাজ্য বি এন পির প্রেস সেক্রেটারী এবং যুক্তরাজ্য ছাত্রদলের প্রতিষ্টাতা সভাপতি নির্বাচিত হন।

সমাজসেবা –
ম আ মোশতাক লেখক ও সংগঠক হিসেবে দেশে-বিদেশে অনেক সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জন করেছেন । একজন সংস্কৃতিপ্রিয় সমাজকর্মী হিসেবে যুক্তরাজ্যে তার অনেক পরিচিতি রয়েছে । তিনি হাইড শহরে ক্রফট মিলেনিয়াম পার্ক, টাইগার্স ক্লাবের উদ্যোগে কমিউনিটি সেন্টার ও হাইড ক্রেডিট ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক
জনাব মোশতাক টাইগার্স ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারপার্সন ও পরিচালক হিসেবে তিনি টি আই এ এডভাইস এন্ড ট্রেইনিং সেন্টার পরিচালনা করছেন ও এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত।

মিডিয়া
প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম অনলাইন পত্রিকা প্রধান সম্পাদক ও পি বি অনলাইন টিভির একজন উপস্থাপক ও প্রযোজক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি চ্যানেল এস গ্রেটার ম্যানচেস্টার এর প্রতিনিধি ও এটিএন বাংলা উইকের কমিউনিটি সংলাপ ও কমিউনিটি প্রবীণ এর উপস্থাপক হিসেবে অনেকদিন কাজ করেছেন ।
লেখক ও গবেষক
ম আ মোশতাক লেখক ও সংগঠক হিসেবে দেশে-বিদেশে অনেক সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জন করেছেন । একজন সংস্কৃতিপ্রিয় সমাজকর্মী হিসেবে যুক্তরাজ্যে তার অনেক পরিচিতি রয়েছে । তার লেখা বইগুলোর নাম, প্রকাশকাল ও প্রকাশকের নাম নিম্নে দেওয়া হল
বইয়ের নাম প্রকাশকাল প্রকাশক
১। বিলেতে বাংলাদেশী (বাংলা ও ইংরেজী), এপ্রিল ২০০০, বিলেত বাংলা প্রকাশনী, সিলেট।
২। লাইফ ইন দ্য ইউকে নাগরিকত্ব পরীক্ষার গাইড (বাংলা ও ইংরেজী) সেপ্টেম্বর ২০০৭, মনা বুকস, ঢাকা।
৩। হিষ্ট্রী অব বাংলাদেশীজ ইন গ্রেটার ম্যানচেস্টার (ইংরেজী), ২৬ মার্চ ২০১৩, সুরমা প্রকাশনী, সিলেট।

৪। কন্সাইসনেস (চেতনা) – ইরেজী কবিতাগ্রন্থ, ফেব্রুয়ারী ২০২১, এম এ পাবলিশিং (পেঞ্জান্স) ইউ কে।
৫। বাংলাদেশীজ ইন ম্যানচেস্টার (অরাল হিষ্ট্রী) প্রথম খন্ড (ইংরেজী), নভেম্বর ২০২১, এম এ পাবলিশিং (পেঞ্জান্স) ইউ কে।
৬। বাংলাদেশীজ ইন ম্যানচেস্টার (অরাল হিষ্ট্রী) দ্বিতীয় খন্ড (ইংরেজী), মার্চ ২০২৩, এম এ পাবলিশিং (পেঞ্জান্স) ইউ কে।

৭। নীরবতা আমাকে কাঁদায় (প্রেমের কবিতা), ২০২৩, সুরমা প্রকাশনী, সিলেট।
৮। চেতনা (দেশের কবিতা), ২০২৩, সুরমা প্রকাশনী, সিলেট।
৯। বিলেতে (ম্যানচেস্টারে) বাংলাদেশী, (গবেষণা মূলক গ্রন্থ) ২০২৩, সুরমা প্রকাশনী, সিলেট।
১০। বিলেতে বাংলাদেশীদের জীবন ৫০টি ভিডিও ডকুমেন্টারি, (২০০৭ – ২০১০), অরাল হিষ্ট্রী প্রজেক্ট, ম্যানচেস্টার, যুক্তরাজ্য।
১১। সেতু বন্ধন সাহিত্য সংকলন (সম্পাদিত), ১৯৯৮ ও ২০০০, অনুপম প্রিন্টার্স, সিলেট।
এবং আরো কটি বই প্রকাশের পথে রয়েছে । তার এ লেখা কবিতা গ্রন্থগুলো ও গভেষনামূলক গ্রন্থগুলো সাহিত্য জগতে এক নতুন সংযোজন এটা নিশ্চয়ই প্রশংসার দাবি রাখে । প্রবাসের ব্যস্ততম জীবনের মধ্যেও নবীন লেখক তাঁর চিন্তা ও চেতনার মাধ্যমে মা-মাটি-মানুষকে নিয়ে অনেক লেখা লিখেছেন, যা নবীন ও প্রবীণদের মনে অনুভুতি জাগাবে । আমাদের এই প্রকাশনা যদি পাঠকদের মধ্যে সমাদৃত হয় তাহলে আমাদের প্রচেষ্টা সফল ও সার্থক হবে । ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন সন্তানের জনক ও তার সহধর্মিনী নান্সি আহমেদ মোস্তফা।
ওল্ডহ্যামে কাউন্সিল নির্বাচনঃ
যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরে কাউন্সিল গুলোতে অল আউট কাউন্সিলার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪মে ২০২৩। স্থানীয় নির্বাচনগুলিতে লেবার পার্টি, কনসারভেটিভ পার্টি মূলত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। কোন কোন স্থানে তার ব্যতিক্রমও রয়েছে যেমন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে অনেক কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে থাকেন। নির্বাচনে অনেক বাংলাদেশী কাউন্সিল প্রার্থী বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নির্বাচন করবেন বলে অনেকে প্রচারণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। গত নির্বাচনে লেবার পার্টির একজন কাউন্সিলর হেরে যাওয়ার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে একজন কাউন্সিলর ওল্ডানের কোল্ড হ্যাস্ট ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত হন। এই ওয়ার্ডে তিনজন কাউন্সিলার নির্বাচিত হবেন । লেবার পার্টি থেকে তিনজন পার্টি, কঞ্জারভে থেকে এখনো তাদের নাম পাওয়া যায়নি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বেশ কয়েকজন প্রচারণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আমরা পর্যায়ক্রমে নির্বাচনে বিভিন্ন প্রার্থীর পরিচয় ও তাদের সংবাদগুলো প্রচারে চেষ্টা করব।
কাউন্সিলার পদে ম আ মোশতাক
তাকে কেন ভোট দিবেন ?
একজন বিচক্ষন রাজনীতিবিদ ও সংগঠক
যার রয়েছে ৩৫ বছরের কর্ম অভিজ্ঞতা
তিনি হাউজিং, এডুকেশন, ইমিগ্রেশন ও বেনিফিট বিষয়ে একজন দক্ষ
আইন বিষয়ে যার রয়েছে দীর্ঘ অবিজ্ঞতা
তিনি নির্বাচিত হলে
* কমিউনিটির বৃহত্তর সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
* সহজে ব্যবহারযোগ্য স্থানীয় পরিষেবাগুলির বিকাশের দিকে কাজ করবেন।
* কাজের সুযোগ তৈরি করতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে কাজ করবেন।
* আরো সাশ্রয়ী মূল্যের সামাজিক আবাসন যেমন ঘর বাড়ী তৈরি করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে আলোচনা করবেন।
* অপরাধ এবং অসামাজিক আচরণ নির্মূল করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাথে যোগাযোগ করবেন।
* স্থানীয় কমিউনিটির জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ক্রেডিট ইউনিয়ন সুবিধা চালুর ব্যাপারে উদ্দ্যোগ নিবেন।
* বয়স্কদের জন্য ডে-কেয়ার সেণ্টার পরিষেবা সহজতর করতে সাহায্য করবেন।
* ক্রমবর্ধমান কাউন্সিল ট্যাক্সের বিরুদ্ধে প্রচারণা করবেন।