চলচ্চিত্রের রুপসী বাংলার এক উজ্জ্বল আলোকিত নক্ষত্র শাবানা,চিত্রায়ণে শাবানা যখন বাংলার একজন আদর্শ রূপবতী বধু সেজে একজন সুদর্শন ব্যাক্তিত্বশীল সুন্দর স্বামীর প্রকৃত যোগ্যতা অর্জন করেন। তখন তাকেই অতী গুনবতী চিত্রাভিনেত্রী।
সমালোচিত শ্রেষ্ঠ নারীর ভূমিকায় দর্শক মনে অভিনন্দনের যোগ্যতা অর্জন করেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মাননীয় শেখ হাসিনার গ্রাম বাংলার গৌরব, স্বনামধন্য সসর্বশ্রেষ্ঠ প্রশংসনীও অভিনয়ের অসাধারণ ভূমিকায় আজীবন স্বর্ন পদক পুরুষ্কার অর্জনকারী শাবানা প্রিয় দর্শক মনের অমুল্য রত্ব।
বাংলার ইতিহাসে অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ জীবনে চিত্র যতদিন বেচে থাকবে ততদিন স্মৃতির দর্পন হয়ে শাবানার চিত্রাভিনয়ের স্বরনীয় দৃশ্যবলী বেচে থাকবে।
শাবানার অতুলনীয় চিত্রাভিনয়ের সফলতা দর্শক মনে চির অমর,চির অম্লান, চির অবিস্মরণীয় থাকুক যুগ যুগান্তর।
আজ অবসর মুহুর্তে বিটিভির পর্দায় শাবানা – আলমগীর অভিনীত ছবি “স্নেহের বাধন” উপভোগ করতে গিয়ে আমি শাবানার একজন অনুরাগী দর্শক হিসাবে শাবানা প্রশংসীত চরিত্রের বর্ননা দিতে গিয়ে শাবানা প্রিয় দর্শকদের উৎসর্গ করে, আমার প্রিয় প্রকাশক প্রবাস বার্তার পাতায় লিখলাম।
আশা করি জুন আগষ্ট সংখ্যায় ২০২০ লিখাটি বিশেষ বিবেচনায় ছাপানোর জন্যে জনাব প্রবাস বার্তার সম্পাদকের প্রতি আমার আকুল অনুরোধ থাকলো।
পরিশেষে জনপ্রিয় পত্রিকা প্রবাস বার্তায় লিখনীর গতি দুর্বারগতিতে সারাদেশে প্রসার লাভ করুক। এ কামনা করি।
লেখকঃ এম.এ.গফফার, ডার্নাল শেফিল্ড
