হে বন্ধু শুনবে যদি নগন্যের রম্যকথা
ভেবে দেখ আজ এক মহা দুঃসময়
ধনি নির্ধন বিশ্বময় এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা
কারো যেন নেই হিম্মৎ
রুখিবার নেই সাহসিকতা!

কার ভয়ে আরাম হারাম নাকি আয়েশে বন্দী বাহিরে বের হবে না
দুনিয়াজুড়ে ঘরে ঘরে স্ব-নির্বাসিত
কেমন আছে যত আবাল বৃদ্ধ বনিতা?
কুড়িতে বুড়ী নয় এ যে উন্মত্ত উনিশ
ঝর বাদল কামান গোলা নাই মুখে তার শুধুই মরণ বিষ
দয়ামায়া নাই দিলে নিষ্ঠুরতায় ভরা
কেউ হতে পারে না এমন
নির্দয় বেসামাল যুবতী ছাড়া!
প্রশ্ন হতে পারে তবে, কেন তার এমন ধংসাত্মক অস্থিরতা?
মনে করি মায়ের জাত বুঝি তাই সইতে পারে নাই
পৃথিবীর সন্তানের দূরাবস্থা!
অন্যায় অবিচারে দুষিত করছে যারা
যাদের কারণে বাস অযোগ্য হচ্ছে মানুষের ধরা
তাদের বিরুদ্ধে বুঝি জারি হয়েছে এমন গ্রেফতারী পরোয়ানা!
দূর থেকে দেখি কতভাবে অর্জিত সম্পদ রেখেছে যতনে
ভোগে লাগবে কি না জানি না
ঘরে বসে নিরবে কাঁদছে কতজন আমার মত যারা?
ভয় হয় ঘাপটি মেরে আছে বুঝি ভাইরাস করোণা
কাপড় চোপর সঙ্গী সাথী এমনকি নিজের হাত পা
ফলমূল চাল ডাল মাছ মাংস শাকপাতা!
লোভী প্রতারক মানুষের জন্য
বিশুদ্ধ কিছুই পাওয়া যায় না
সময় মতো কেউ করেনি সঠিক কাজ
তারায়নি ক্ষতিকর পঙ্গপাল
পশু পাখি কুকুর বিড়াল ইদুর বাদুর মশা!
চারদিকে শুধু ঠকবাজ মুনাফা লোভীর মেকি উচ্ছলতা
বিশ্ব জুড়ে স্বার্থের উন্মাদনা
সুস্থ সুন্দর মনে মানবজাতিকে বাঁচতে দিবে না
সবকিছু ভেজাল সংকরজাত ভাইরাস ভরা
এভাবেই চলবে কিছু যেনো করা যাবে না!
চলে যাবে করোণা জানি
তবে জানি না বিশ্বলুটেরা দূর্বিনীতিবাজ
ভেজালকারী সন্ত্রাসী নিয়ে যাবে কি না
ফিরে যাবে কি না ভয় দেখানো
অভিযানে ধনকুবের কাছ থেকে কিছু নিয়া(?)
আর কিছু দূর্বল শাসিয়া!
নিশ্চিত আবার আসিবে সময় গুণিয়া
দূর্জন ঠকবাজ করোণা অজুহাতে
হয়তো আবার চালাবে লুটপাট
উপরি কামানোর খেলা?
তবুও বলি যদি সুযোগ পাও সতর্ক হও যত যুবকেরা
বুঝে দেখ কি শিক্ষা দিয়ে যায় করোণা
নিজ কর্মে নিশ্চিত কর অনাগত শিশুর নতুন পৃথিবী মুক্তচিন্তার মানবতা।
(সংরক্ষিত। কাব্যগ্রন্থ ‘ফেরারী মন’ থেকে)।
