প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: করোনা ভাইরাসের অদৃশ্য থাবায় পরিবার, সমাজ, দেশ তথা বিশ্ব আজ বিপর্যস্ত। মানব দুর্ভোগ ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় ছাড়াও খবর সংগ্রহ ও প্রচারে করোনা ভাইরাস নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তবে করোনাকালে সকলকে নিরাপদে থেকে কাজ করতে হবে।
আমি কোনো মহামারী দেখি নি তবে গল্প শুনেছি; কিন্তু আজ উপলব্ধি করছি করোনা ভাইরাসের মতো মহামারী, যেটি সারা বিশ্বে একটি আতংকের নাম। বিশ্বে লক্ষাধিক মানুষ এই মহামারিতে আক্রান্ত। মৃত্যুবরণ করছে হাজার হাজার মানুষ। করোনার ভয়াল থাবায় সারা বিশ্ব আজ লকডডাউন।
থেমে গেছে মানুষের জীবনযাত্রা। প্রতিদিন শুনতে হচ্ছে মৃত্যুর খবর অর্থাৎ প্রতিদিন যুক্ত হচ্ছে হাজার হাজার লাশের সংখ্যা – যেনো গোটা বিশ্ব আজ দাড়িয়ে আছে মৃত্যু উপত্যকায়।করোনা ভাইরাসের আতংকে আমাদের মনোবল কিছুটা ভেঙ্গে গিয়েছে।
বিশেষ করে ষাটোর্ধ্বদের মধ্যে অনেকেই উক্ত রক্তচাপ, ডায়েবেটিস, হাইপারটেনশনসহ বিভিন্ন রোগে ভোগলেও তাঁরা ডাক্তারের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারছেন না বা জরুরী সেবা নিচ্ছেন না। এতে ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
আমি মনে করি একে অপরের খোঁজ-খবর নেয়া প্রয়োজন, সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়া প্রয়োজন।আমি মনে করি ঝুঁকি এড়াতে বিয়ের অনুষ্ঠানমালায় ভিন্নতা থাকা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে লোক সমাগম কম হলে সংক্রমণের ঝুঁকিও হ্রাস পাবে।।সরকার ক্রমান্বয়ে বিধি নিষেধ শিথিল করছে। আমাদেরকে আরো কিছুদিন ধৈর্য ধরতে হবে।
তবে কমিউনিটির সভা সমিতর কার্যক্রম ভিন্ন পদ্ধতিতে করা যেতে পারে যেমন, Zoom/Messenger /WhatsApp এর মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠিত হতে পারে। আমাদের মনে রাখতে হবে যে, এ করোনা ভাইরাস একেবারে নির্মূল হবে না বা হতে সময় লাগবে।
তাই নতুন নতুন উপায়ে আমাদেরকে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে।আমি গত ২৫ বছর ধরে রেডিও এক্স এল এর সাথে কাজ করছি। রেডিও এক্স এল বাংলাদেশী কমিউনিটির উন্নয়নে সদা সচেষ্ট বলে আমি মনে করি। স্বাধীনতা দিবস, ভাষা দিবস এবং বিজয় দিবসসহ জাতীয় দিবসগুলোর আলোকে রেডিও এক্স এল অনুষ্ঠানাদি প্রচার করে থাকে।
বাংলাদেশ থেকে ভ্রমণে আসা অতিথিদের নিয়েও আলোচনা অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়। ফেইস বুকের মাধ্যমে সারা বিশ্বের বাঙালী দর্শক শ্রোতারা আমাদের অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। এতে বিলেতের সাথে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাংলা ভাষাভাষীর সেতুবন্ধন সৃষ্টি হচ্ছে। এ করোনাকালে আমার সকল সহকর্মি ভাই বোনদের শুধু বলবো, সংবাদ পরিবেশনের জন্য জীবণের ঝুঁকি নেবেন না।
সরকারের পরামর্শ মেনে চলুন। বাড়ীতে থাকুন। নিজে বাঁচুন,অন্যকেও বাঁচান।
