রাত জেগে কাজ করতে হত, ঘুমের সময় পেতাম না। কিন্তু আজ হাতে কাজ নেই চোখে ঘুম ও নেই। চারিদিকে নিরবতা এ যেন এক অবাক পৃথিবী। মায়া মমতা সব যেন শেষ। বাবা সন্তানকে আদর করতে ভয় পাচ্ছে, ছেলে বাবা মার কাছে যেতে ভয় পাচ্ছে, আত্মীয় স্বজন সবাই দূরে দূরে যে যার অবস্থানে।
প্রান বাচাতে এক দেশ আরেক দেশের সাথে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দিচ্ছে। মৃত্যুর মিছিল চারিদেকে। মরার পর লাশ দাফন করার মানুষ মিলছে না। মুসলমান মরলে জালানোর ব্যবস্থা চলছে।
এক ভাইরাসের কাছে সবার আত্মসমর্পন। কোথায় আজ বড় বড় রাষ্ট্রগুলোর দাম্বিকতা কোথায় তাদের জেট ফাইটার, সাবমেরিন, পারমানবিক অস্ত্র । আল্লাহ যে তাদের সৃষ্টি করেছিলেন এটা তারা ভুলে গিয়েছিল।
করোনা ভাইরাস কে কেউ কেউ বলছে খোদার গজব, তাতে আমার দ্বিমত। এটা মানুষের পাপের ফল। পবিত্র কোরআন এ বর্ণিত প্রত্যেক মানুষকে তার পাপের ফল ভোগ করতে হবে।
হ্যা আমরা সবাই তাই করছি। বাদ দেন চায়না, আমেরিকা, ইসরাঈল ওরা তো নাস্তিক-মুরতাদ । ওরা তো পাপের ইন্ডাষ্ট্রি । মুসলমান কান্ট্রিগুলো কি করছে। আমরা কি করছি ওয়াজ মাহফিলে এক হুজুর অন্য হুজুরকে গালাগালি থেকে কতকিছু। আমাদের দেশের নাস্তিকদের কথা কি লিখব, তারা তো তারাই।
পবিত্র ভুমি সৌদি আরব যে সব সময় আমেরিকা সহ ইহুদি নাসারাদের দালালী করছে। পবিত্র ভুমিতে নানা অসামাজিক কার্য্যকলাপের প্রতিযোগীতা চলছে । মুসলমান রাষ্ট্রগুলো একে অন্যের বিরুদ্ধে লেগে আছে।
এই সুযোগে নাস্তিক মুরতাদরা একের পর এক মুসলমান রাষ্ট্রগুলো একে একে ধ্বংস করে তাদের রাজত্ব কায়েম করছে। কোথায় সাদ্দাম হোসেন, গাদ্দাফি আরো ও অনেক অগনিত মুসলিম নেতা।
এক সময় ভারতবর্ষে মুসলিমদের রাজত্ব ছিল আজ কোথায় তারা। আজ ভারতসহ পৃথিবীর অগণিত দেশে মুসলমানদের নির্যাতনের স্বীকার হতে হচ্ছে। অসহায় ইয়ামেন ।
তারা ও মুসলমান রাষ্ট্র সৌদি আরবের নির্যাতনের স্বীকার, গাছের লতা পাতা খেয়ে তাদের জীবন চলে। সবই আমাদের পাপের ফল ।
আজ এইটুকু…………হয়তো আরো লিখবো……….নয়তো কাল যদি আল্লাহ আবার সবাইকে ক্ষমা করে দেন তাহলে হয়তো কাজের তাগিদে ব্যস্ত হয়ে যাব।
(মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়, এটা লেখকের নিজস্ব অভিমত)
