প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: করোনাভাইরাসের প্রাদুভার্ব দেখা দিলে প্রায় তিন মাস আগে লকডাউনে যায় ব্রিটেন। ফলে বন্ধ হয়ে যায় প্রায় সবকয়টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। বন্ধ হওয়া এসকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের বেতনের ৮০ ভাগ অর্থ পরিশোধ করে যাচ্ছে ব্রিটিশ সরকার। আগামী জুলাইয়ে শেষে এটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও তা বাড়িয়ে অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে। আজ নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন চ্যান্সেলর ঋষি সুনাক।
বৃৃটেনে বর্তমানে প্রায় ৮ দশমিক ৫ মিলিয়ন ওয়ার্কার সরকারের জব রেটেনশন স্কীমের অধিনে ফারলফ সুবিধা নিচ্ছেন। এই স্কীম অব্যাহত থাকবে অক্টোবর পর্যন্ত। এদিকে ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন সেল্ফ এম্লয়েড দ্বিতীয় দফায় অগাস্টে আরো একটি গ্র্যান্ট পাবেন। এ দুটি স্কীমের জন্যে সরকারের ব্যয় হবে অন্তত ১শ বিলিয়ন পাউন্ড।
তবে অগাস্ট থেকে পর্যায়ক্রমে জব রেটেনশন স্কীমের কিছুটা পরিবর্তন হবে। অগাস্টে সরকার ৮০ শতাংশ ফার্লো দিলেও চাকুরীদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স এবং পেনসন বাবদ অন্তত ৫ শতাংশ পরিশোধ করতে হবে। আর সেপ্টেম্বরে সরকার পরিশোধ করবে ৭০ শতাংশ এবং চাকুরীদাতা প্রতিষ্ঠানকে পরিশোধ করতে হবে ১৪ শতাংশ।
অক্টোবরে সরকার দেবে ৬০ শতাংশ এবং চাকুরীদাতা প্রতিষ্ঠানকে পরিশোধ করতে হবে ২৩ শতাংশ। তবে সব কিছু মিলে অক্টোবর পর্যন্ত ওয়ার্কারদের অবশ্যই ৮০ শতাংশ বেতন পরিশোধ করা হবে। অন্যদিকে ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন সেল্ফ এমপ্লয়েডকে আগস্টে তাদের গত তিন বছরের গড় আয়ের আরো অন্তত ৭০ শতাংশ পরিশোধ করা হবে।
এছাড়া জুলাই থেকে শ্রমিকরা খন্ডকালিন কাজে যেতে পারবে কিন্তু কোম্পানীকে ১০০ পার্সেন্ট বেতন দিতে হবে। মি: সুনাক বলেন, জব রিটেনশন স্কিমটি এমনভাবে সামঞ্জস্য করা হবে যাতে যারা কাজে যেতে সক্ষম তারা এই সুবিধা নিতে পারেন।
তিনি জানান ইতিমধ্যে ৮.৪ মিলিয়ন কর্মী বর্তমানে বেতনের ৮০ পার্সেন্ট সুবিধা সর্বোচ্চ ২৫০০ পাউন্ড পাচ্ছেন। যা জুলাই মাসের শেষ গিয়ে সমপ্ত হওয়ার কথা ছিলো। তা এখন অক্টোবর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।
চলতি মাসের প্রথম দিকে চ্যান্সেলর এই প্রকল্পটি অক্টোবর মাস পর্যন্ত বর্ধিত করার ঘোষণা দিয়ে ছিলেন। তবে কিভাবে তা কার্যকর হবে তা নিশ্চিতকরেননি। আজ তিনি তা পরিস্কার একটি ধারনা দিয়েছেন।
