মাস্ক পরা, না পরা জনগণের ‘ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের’ ওপর ছেড়ে দিতে চায় ব্রিটেন


প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে তাণ্ডবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় অন্যতম যুক্তরাজ্য। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৪৯ লাখেরও বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ২ শতাধিক মানুষের। তবে এই মুহূর্তে দেশটিতে সংক্রমণের হার একেবারেই কমে গেছে।

এমতাবস্থায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে আইনি বিধিনিষেধ আরোপ না করে বিষয়টিকে জনগণের ‘ব্যক্তিগত দায়িত্ব’ হিসেবে দেখতে চায় যুক্তরাজ্য সরকার। এমনকি মাস্ক পরা না পরার বিষয়টিও জনগণের বিবেচনার ওপরই ছেড়ে দিতে চায় কর্তৃপক্ষ।

মাস্ক পরা, না পরা জনগণের ‘ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের’ ওপর ছেড়ে দিতে চায় ব্রিটেন

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে তাণ্ডবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় অন্যতম যুক্তরাজ্য। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৪৯ লাখেরও বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ২ শতাধিক মানুষের। তবে এই মুহূর্তে দেশটিতে সংক্রমণের হার একেবারেই কমে গেছে।

এমতাবস্থায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে আইনি বিধিনিষেধ আরোপ না করে বিষয়টিকে জনগণের ‘ব্যক্তিগত দায়িত্ব’ হিসেবে দেখতে চায় যুক্তরাজ্য সরকার। এমনকি মাস্ক পরা না পরার বিষয়টিও জনগণের বিবেচনার ওপরই ছেড়ে দিতে চায় কর্তৃপক্ষ।

দেশটির আবাসন মন্ত্রী রবার্ট জেনরিক এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর বিবিসি ও সিএনএন’র।

তিনি মনে করেন, মাস্ক নিয়ে একেকজন একেক রকম প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারেন কিন্তু আস্থাভাজন নাগরিকরা সুবিবেচনার পরিচয় দেবেন।

আগামী ১৯ জুলাই থেকে করোনা সংক্রান্ত সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নিতে পারে ব্রিটিশ সরকার।

তবে স্কটিশ সরকার মনে করে, মাস্কের ‘চলমান প্রয়োজন’ থেকেই যাবে। একজন মুখপাত্র বলেন, আগামী ৯ আগস্ট সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হলেও আশা করা হচ্ছে মানুষ গণপরিবহন এবং দোকানে মাস্ক ব্যবহার করবে।

যুক্তরাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হলেও স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং আয়ারল্যান্ড সরকার নিজ নিজ ব্যবস্থাপনায় করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়ম-নীতি জারি করেছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *