প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক :: মরণঘাতী করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনের পর হটস্পটে পরিণত হয়েছিল ইউরোপের দেশগুলো। তবে এসব দেশের সরকারগুলো সময় মতো লকডাউন দেওয়ায় প্রায় ৩০ লাখ মানুষের মৃত্যু এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের ইম্পিরিয়াল কলেজ লন্ডনের গবেষকরা এই গবেষণা করেছেন বলে জানা গেছে।
লকডাউন চলাকালীন ফাঁকা ইতালির রাস্তা
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, ইউরোপের ১১টি দেশের থেকে তথ্য নিয়েছেন গবেষকরা। দেশগুলো হলো- অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ব্রিটেন, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড।
ইম্পিরিয়াল কলেজ লন্ডনের গবেষকরা বলছেন, মে মাসের শুরুর দিকে এই ১১টি দেশে আনুমানিক এক কোটি ২০ লাখ থেকে দেড় কোটির মানুষ করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে। লকডাউনের কারণে আমাদের হিসাব থেকেও কম সংখ্যক মানুষের সংক্রমণ হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আমরা যে হিসাব করেছিলাম তার তুলনায় এই সময়ে ৩০ লাখ কম মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
লকডাউন চলাকালীন ফাঁকা ফ্রান্সের রাস্তা
তারা বলছেন, পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই পদ্ধতি বেশ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। যদিও দেশগুলোকে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু আমরা বুঝতে পেরেছি, এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে ঠিক কীভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে।
একই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকদের প্রকাশিত এক গবেষণা বলছে, লকডাউনের নিয়ম সঠিকভাবে পালন করার কারণে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, ইতালি, ইরান, ফ্রান্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমণের সংখ্যা কম হয়েছে। এসব অঞ্চলে লকডাউন না দেয়া হলে দেশগুলোর মোট আক্রান্তের সংখ্যা থেকেও ৫৩ কোটি বেশি মানুষের সংক্রমণ হতো।

