স্বাস্থ্য বিধি মানা না হলে লাশের মিছিল দেখতে হবে…!


প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম বিভাগীয় ব্যুরো চিফ মোঃ শহিদুল ইসলাম ( শহিদ) :: জীবন না জীবিকা আগে? মহামারী বিপথগামী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মহামারী করোনায় মৃত্যু সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫ হাজার ৬৫ জন।

মহামারী করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে” সামাজকি দূরত্ব-শারীরিক দূরত্ব কোনটাই তোয়াক্কা করছে না সাধারণ অসাধারণ আমজনতা ! সংক্রমণ রোধে সামাজকি দূরত্ব এখন মিছিল স্লোগানে রূপ নিয়েছে ,সরকার মহামারী করোনার শুরু থেকেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বারবার সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কথা বল্লেও তা মানছে না সাধারণ অসাধারণ মানুষ।

তাছাড়া কভিড-১৯ নামের এই ভাইরাসের টিকা বা ঔষধ আবিষ্কার হলেও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা ছাড়া এই ভাইরাসের থাবাথেকে বাঁচার কোন উপায় বিশ্ব মহল দেখছেন না। গার্মেন্টস শিল্প কারখানা গুলো খোলা থাকায় স্বাস্থ্য সুরক্ষার পুরো দায়িত্ব মালিক পক্ষ কে নিতে বলা হলেও দিব্য অফিস ছুটির পরে বাজার, হাটে-ঘাটে সর্বত্রই উন্মুক্ত ভাবে মাস্ক-হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিহীন স্পর্শ করছে একে অপরকে। এছাড়া নগরীর বন্দরটিলা,সহ কাঁচা বাজারের পিছনের আলিশাহ্ নগর‌ বিভিন্ন অলিগলি ইপিজেড, মাইলের মাথা,সল্টগোলা ক্রসিং, হাসপাতাল গেট, স্টিলমিল বাজার, কাটগড় বাজার সহ খোলা স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মানছেনা সকল শ্রেণীর মানুষেরা।

কিছু কিছু মসজিদের ইমাম-মোয়াজ্জেম, হাফেজরা করোনার মহামারীর বিষয় ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে জনগণ কে বিভ্রান্তি করছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে বিভিন্ন মারফত জানা গেছে। আবার অনেক মসজিদে স্বাস্থ্য বিধির বালাইও মানছেন না । রোববার চতুর্থ দিন লকডাউনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৬৬১ জন। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত হয়েছে ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯১৭ জন।এ নিয়ে দেশে টানা ৮ দিনে শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। এর আগে শনিবার করোনায় প্রাণ হারান ১৩৪ জন। এর মধ্যে ২৯ হাজার ৩১৫ জন রোগির নমুনা শনাক্তের হার ২৮. দশমিক ৯৯ শতাংশ।

দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬৭ লাখ ২৩ হাজার ৫৬০টি। মোট পরীক্ষায় তুলনা মূলক ভাবে শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। মারা যাওয়া ১৫৩ জনের মধ্যে ৫১ জনই খুলনার। এছাড়া ঢাকায় ৪৬, চট্টগ্রামে ১৫, রাজশাহীতে ১২, বরিশালে ৩, সিলেটে ২, রংপুরে ১৫ এবং ময়মনসিংহে ৯ জন মারা গেছেন।

মারা যাওয়াদের মধ্যে ৯৬ জন পুরুষ এবং ৫৭ জন নারী। এদের মধ্যে ৯ জন বাসায় মারা গেছেন। ৩ জনকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মহামারী করোনা ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়া ১৫ হাজার ৬৫ জনের মধ্যে পুরুষ ১০ হাজার ৬৭৬ জন এবং নারী ৪ হাজার ৯৮৯ জন।

বর্তমানে দেশের যে অবস্থা সাধারণত এ থেকে বলা হচ্ছে যে এখন জীবন আগে না জীবিকা আগে, যদি জীবিকা আগে হয় ,তাহলে লকডাউন বা শাটডাউন প্রয়োজন আছে কি দেশের সাধারণ -সচেতন নাগরিকরা বারবার প্রশ্ন রাখছেন।

জীবন বাঁচাতে হলেও সরকারের উচিত হবে সর্বাত্মক শাটডাউন খুব জরুরী, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী আগামী ২০২২সালে মার্চ পর্যন্ত ”করোনাভাইরাস” স্বাভাবিক না হবার কথা বলছেন অভিজ্ঞ চিকিৎসক, গবেষক ওবৈজ্ঞানিকগণ।

তার পরও বলতে চাই, বাঁচতে হলে স্বাস্থ্যবিধি সহ সকল নীতিমালা জেনেশুনে মানতে হবেই। আসুন-সকলে মিলেমিশে জীবন বাচাঁই, জীবিকা সাজাই…………বা সঞ্চিত রাখি বাচাঁর পরে,,,! সবশেষে আমরা সকলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার চেষ্টা করি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *