প্রবাস বার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক রিপোর্টঃ বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদের ছোটভাই ফায়াজকে মা’রধর করেছে পু’লিশ। আজ বুধবার বুয়েট ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম আবরারদের বাড়ি কুষ্টিয়ায় গেলে এলাকাবাসীর সঙ্গে পু’লিশের সং’ঘর্ষ বাধে। এসময় আবরারের ছোট ভাইসহ আ’হত হন তিনজন।
এসময় আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ বলেন, কুষ্টিয়ার অ্যা’ডিশনাল এস’পি তাকে কনুই দিয়ে আ’ঘাত করেছেন। এবং গতকাল তার ভাইয়ের জা’নাজার সময় বলেছিলেন দুই মিনিটে যেন জা’নাজা শেষ করা হয়।
বুয়েট ভি’সি শুধুমাত্র আবরারের কবর জিয়ারত করতে পেরেছেন। তিনি আবরারের বাড়িতে ঢুকতে পারেননি। বি’ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে বা’ধা দেন। এসময় পু’লিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর সং’ঘর্ষ হয়।
এসময় আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ, তার ফুপাতো ভাইয়ের স্ত্রী ও আরও একজন নারী আ’হত হন বলেও তিনি জানান।
ফায়াজ বলেন, আমি আবরারের ছোট ভাই। আজ আমাদের এখানে ভি’সি সাহেব এসেছিলেন। এখানে এসে তাঁর আমার মা’র সাথে দেখা করা উচিত ছিল। তিনি এখানে দেখা করতে তো আসলেনই না বরং তিনি যখন ফিরে যাচ্ছিলেন এবং আমি তাঁর সাথে কথা বলতে যাই। তখন এখানকার দায়িত্বে থাকা অ্যা’ডিশনাল এস’পি (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) মোস্তাফিজুর রহমান আমার বুকে ক’নুই দিয়ে আ’ঘাত করেন এবং কালকেও যখন আমার ভাইয়ের জা’নাজা হয় তখন তিনি বলেছিলেন দুই মিনিটের মধ্যে জা’নাজা শেষ করতে হবে।
কিভাবে তিনি এটা বলেন? আজ এখানে আমার ভাবি ছিল, তাঁকে বে’ধড়কভাবে পু’লিশ দিয়ে মা’রা হয়েছে। তার কাপড়-চোপড় টে’নে তাঁর শ্লী’লতাহানি পর্যন্ত করা হয়েছে। এটা বাংলাদেশের কোন ধরনের পু’লিশ?
কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এস’পি) এস এম তানভীর আরাফাত বিষয়টিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে কালের কণ্ঠকে বলেন, আবরারের বড় ভাই ভিসি সাহেবকে শারীরিকভাবে লা’ঞ্ছিত করতে হাত তু’লেছিলেন। মোস্তাফিজ (অ্যা’ডিশনাল এস’পি, ডি’এসবি) সেটা ঠে’কিয়েছেন। এটাই তার অ’পরাধ।
দুই মিনিটে জা’নাজা শেষ করতে হবে এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে এস’পি বলেন, দুই মিনিটে জা’নাজা করার প্রশ্নই উঠে না। যেটা সম্ভব না সে কথা কিভাবে বলবে।
পুলিশ যেন ভি’ক্টিমাইজ না হয়, সেজন্য আমরা জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, অতিরক্তি জে’লা ম্যা’জিস্ট্রেট (এডিএম), উপজেলা চে’য়ারম্যানসহ ভি’সি সাহেবের সাথে ওই স্থানে যাই। এরপরও এমন একটা অভিযোগ কেন উঠলো। বুঝতে পারলাম না।
ভিডিওটি দেখুন:
