প্রবাস বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্কঃ CIA এজেন্ট শাকিল আফ্রিদী কে পাকিস্তান মুক্তি দেবে যদি আমেরিকা বিশ্বের সর্ব কনিষ্ঠা নিউরোলোজিস্ট ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকী কে মুক্তি দেয়। এই শর্ত দিয়েছেন পাকিস্তানের নায়ক ইমরান খান।
পাকিস্তানের কন্যাকে মুক্ত করার এই সিদ্ধান্ত কে স্বাগত জানিয়েছে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ। এরদোগানকে সাথে নিয়ে ইসলামের জন্য কাজ করতে চান মাহাথির মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মুহাম্মাদ বলেছেন, মুসলিম বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধি ফিরে পেতে ঐক্য খুব জরুরি। এরদোগান মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি এখন মুসলিম বিশ্বের অন্যতম নেতা। আমরা ইসলামের জন্য তাঁর সাথে কাজ করতে চাই।
শনিবার (২৭ জুন) আঙ্কারায় এরদোগানের সাথে এক সংবাদ সম্মেলনে মাহাথির এসব কথা বলেন। মাহাথির এতে একটি ত্রৈমাসিক সম্মেলনের প্রস্তাব করেন। যাতে তুরস্ক, মালয়েশিয়া ও পাকিস্তান একসাথে কাজ করবে। মাহাথির বলেন, এর মাধ্যমে ইসলামের নবজাগরণ সৃষ্টি হতে পারে।
মাহাথির আরো বলেন, ইসলামি দেশগুলোকে আরো উন্নত করা উচিত। এ লক্ষ্যে কারোনা কারো এগিয়ে আসা উচিত। আমার বিশ্বাস তুরস্ক এ লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, মুসলিম দেশগুলোতে নতুন প্রকল্প স্থাপনের মাধ্যমে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা ও সামরিক শিক্ষা উন্নত করা উচিত। তাতে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টি হবে। উল্লেখ, মাহাথির গত ২৪ জুলাই ৪ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে তুরস্কে আসেন।
এতে দুদেশের মাঝে বিনিয়োগ, বানিজ্য ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক নানান চুক্তি সম্পন্ন হয়। আরো সংবাদ আমেরিকায় ঢুকতে কাতর আরজি; বাধা পেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন শরণার্থী মা ফের একবার শরণার্থী সমস্যার ভয়াবহতা টের পাওয়া গেল। শরণার্থী সমস্যা দিন দিন আরও প্রকট রূপ ধারণ করছে এটা তারই প্রমাণ। এর আগে সিরিয়ার আয়লান কুর্দি, রিও গ্রান্দেতে বাবা-মেয়ের নিথর দেহ অথবা মায়ানমারের রোহিঙ্গা মা-শিশুর প্রাণের আর্তি–এসব ছবি দেখে রীতিমতো অবাক বিশ্ব। শরণার্থীদের সেইসব করুণ দৃশ্যের সঙ্গে যোগ হলো নতুন একটি দৃশ্য।
এক সন্তান কোলে সুদূর গুয়াতেমালা থেকে মার্কিন সীমান্তে এসে সেদেশে আর প্রবেশ করতে পারছেন না মা৷ নিরাপদ একটু আশ্রয়ের জন্য সীমান্তের প্রহরীদের কাছে কাতর আরজি জানাচ্ছেন তিনি৷ লেটি পেরেজ, গুয়াতেমালার সিউদাদ জুয়ারেজ শহর থেকে অন্তত ২৪০০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটে এসেছেন মার্কিন সীমান্তে৷ সঙ্গে ৬ বছরের সন্তান৷ আমেরিকা-মেক্সিকো সীমান্তে এসেই বাধা৷ মেক্সিকান ন্যাশনাল গার্ড তাকে আটকে দেয়৷ সেখানেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পেরেজ৷ বারংবার কাতরভাবে অনুরোধ করতে থাকেন, এতদূর ছুটে এসেছেন, যেন ছোট সন্তানের মুখ চেয়ে তাকে আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়৷ জানা গেছে, এসময় আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্সের ফটোগ্রাফার হোসে লুই গঞ্জালেস মেক্সিকো সীমান্তে দাঁড়িয়ে ছিলেন ৷
গোটা দৃশ্যের একমাত্র প্রত্যক্ষ সাক্ষী তিনি৷ তার কথায়, ‘ওই মহিলা ন্যাশনাল গার্ডদের কাছে প্রায় ভিক্ষা চাওয়ার মতো করে আরজি জানাচ্ছিলেন, যাতে তাকে সীমান্ত পেরিয়ে আমেরিকায় ঢুকতে দেওয়া হয়৷ বারবার বলছিলেন, সন্তানের একটু নিরাপদ ভবিষ্যৎ চান৷ আর কাঁধে অ্যাসল্ট রাইফেল, পরনের ভারী পোশাক পরা গার্ডটি সমানে বলছিলেন, তিনি তার কর্তব্য করছেন৷ কিছুতেই ঢুকতে দিতে পারবেন না৷’ গঞ্জালেসের তোলা সেই করুণ ছবি রয়টার্সে প্রকাশিত হওয়ার পর ফের হইচই পড়ে যায়৷ সোশ্যাল মিডিয়া ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়তেই ফের ট্রাম্প প্রশাসনের নিন্দায় সরব আন্তর্জাতিক মহল৷
এমনিতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট মেক্সিকো সীমান্তে একেবারে পাঁচিল তুলে শরণার্থী স্রোত আটকাতে তৎপর ছিলেন৷ বিরোধীদের চাপে সেই কাজ করা হয়ে ওঠেনি৷ তাই বাধ্য হয়ে ন্যাশনাল গার্ডদের মোতায়েন করে রেখেছেন সীমান্তের কাঁটাতার বরাবর৷ আর গুয়াতেমালা, ভেনেজুয়েলার মতো মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন দেশে নানা অস্থির পরিস্থিতির জেরে দেশ ছাড়ছেন বহু মানুষ৷ আর ঢুকে পড়ছেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, নয়ত আমেরিকায়৷
