Category: সাহিত্য

  • আহবান – ম আ মোশতাক

    আহবান – ম আ মোশতাক

    বাংলার মাটি মোদের গর্ব, এর ইতিহাস মোদের গৌরব । নদীর পানি মোদের বুকের রক্ত, মাটির ভালোবাসায় সবার জীবন । মানুষের হৃদয়ের একাত্মতায় নিবেদিত, দেশের জন্য উৎসর্গিত । কিষাণের শানিত কাস্তে, ঝলসে উঠে মুক্তির বাণী । শ্রমিকের হাতুড়ীতে ছন্দিত হয়, বাঁচার দীপ্ত শপথ । রাখালের বাঁশির সুরে, আর বাউলের একতারায়, নদীর কলতানে শুনি জীবনের জয়গান ।…

  • নওয়াব স্যার সৈয়দ শামসুল হুদার ওপর তথ্য আহবান

    নওয়াব স্যার সৈয়দ শামসুল হুদার ওপর তথ্য আহবান

    প্রবাস বার্তা টুয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ ডেস্ক: অবিভক্ত বাংলার প্রাণপুরুষ ও জাতীয় রাজনীতিবিদ নবাব স্যার সৈয়দ শামসুল হুদার জীবন ও কর্ম নিয়ে অনুসন্ধান মূলক গ্রন্থ প্রকাশ হতে যাচ্ছে। এই গ্রন্থে প্রকাশ উপযোগী কোন তথ্য চিত্র ছবি কারো কাছে থাকলে তা পাঠিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে। যোগাযোগঃ তাবেদার রসুল বকুল ইমেইলঃ bakulbd@hotmail.co.uk মোবাইলঃ 07539859498

  • মোর বাতায়নে – জিল্লুল করিম চৌধুরী

    মোর বাতায়নে – জিল্লুল করিম চৌধুরী

    আনমনে চেয়ে দেখি আমি মোর বাতায়নে সবুজের সমারোহ, ঘুঘু আসে হেথা খেলা করে আর গান গায় অহরহ। নিমিষের ত্বরে নিয়ে যায় মোরে দূরে বহু দূরে বাংলায়, সবুজ যেখানে এঁকেবেঁকে গিয়ে মিশে নীল আকাশের সীমানায়। প্রাণ খানি মোর আনচান করে উড়ে যেতে মন চায়, আমার প্রিয় বাংলা মায়ের প্রিয় সবুজ শ্যামল গাঁয়।

  • সিনেমা দেখা পর বুঝলাম ‘এই ছবি সেই ছবি নয়’ – মোঃ রহমত আলী

    সিনেমা দেখা পর বুঝলাম ‘এই ছবি সেই ছবি নয়’ – মোঃ রহমত আলী

    আমি শুধু লেখালেখি করি না। মাঝেমধ্যে ছায়াছবি, নাটক, বিজ্ঞাপনচিত্রেও অভিনয় করে থাকি। সেগুলার অনেকটা ইচ্ছায়, অনেকটা অনিচ্ছায় আবার কখনো আকস্মিকভাবে হয়ে থাকে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, একটি ইংরেজি ফিল্ম ও একটি বাংলা শর্ট ফিল্ম। এখানে বলে নেওয়া ভাল যে, আমি বিভিন্ন সভা সমাবেশে উপস্থাপনা, ফুটবল খেলায় ধারাবিবরনী ও রেপারী হিসাবে কাজ করেছি। যার ফলে আমার…

  • ভিড়ে নয় নীড়ে হোক আমার আপনার অবস্থান – বহ্নি চক্রবর্তী

    ভিড়ে নয় নীড়ে হোক আমার আপনার অবস্থান – বহ্নি চক্রবর্তী

    আর কত মানুষ মরলে আর কত মানুষ সংক্রামিত হলে সিলেটকে ঝুঁকি পূর্ণ বলা হবে। প্রথম দিকে সিলেট লকডাউন, ঝুঁকি পূর্ণ এলাকা ঘোষণা দেওয়ার জন্য  লেখালেখি করেছিলেন অনেকে। আমিও অনেক বার লিখেছি, কেউ আমল দেয় নি। পরবর্তী সময় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের জারি করা  লকডাউন! যা মানতে বেশির ভাগ মানুষ  নারাজ ছিলেন৷ যার কারণে দেশে করোনা…

  • ক্লান্ত হয়ে গেছি, তবে থেমে যাইনি! – মরিয়ম চৌধুরী

    ক্লান্ত হয়ে গেছি, তবে থেমে যাইনি! – মরিয়ম চৌধুরী

    ছোটবেলায় বইয়ের কানে ধরে কতকিছুই শিখতাম যার প্রয়োগ জীবনে তেমন হয়েছে বলে মনে হয় না। তবে আজ “স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল” এই কথাটির তাৎপর্য হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। আপনি যখন অসুস্থ অবস্থায় থাকবেন ঠিক তখনই সুস্থতার স্মৃতিগুলি আপনার চোখের দৃশ্যপটে ভেসে বেড়াবে। নিজেকে তখন খুব বেশি অসহায় মনে হয়। সুস্থতা পৃথিবীতে বড় একটি নেয়ামত। অপরদিকে…

  • “মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য” – ফারজানা চৌধুরী পাপড়ি 

    “মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য” – ফারজানা চৌধুরী পাপড়ি 

    “মানুষ মানুষের জন্যে জীবন জীবনের জন্যে একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না, ও বন্ধু” ভুপেন হাজারিকার গানটি হঠাৎ মনে পড়ল। এই গানটির সাথে চলমান পরিস্থিতির সাথে এতো মিল, একমাত্র গান প্রেমিকরাই বুঝতে পারবেন। ফেইসবুকে করোনা ভাইরাস নিয়ে নানা ধরণের বক্তব্য ভিডিওর  তান্ডব চলছে। কোনটা ঠিক কোনটা বেঠিক তা নিয়ে মানুষের মনে হাজার দ্বন্দ্ব ঘুরপাক…

  • অন্ধকার রাতের সমাপ্তি – মরিয়ম চৌধুরী

    অন্ধকার রাতের সমাপ্তি – মরিয়ম চৌধুরী

    সূর্য তার ঘুমন্ত চোখ মেলে শুরু করেছে প্রভাত, কেটেছে ঘোর অন্ধকার রাত। হচ্ছে বিষাদে ঘেরা অন্ধকার রাতের অবসান সদ্য জাগা সোনালী সূর্য হেসে হেসে দিচ্ছে নতুন আরেকটা দিনের আহবান। কিচিরমিচির শব্দে পাখিরা গাইছে ঘুম ভাঙ্গানোর গান স্নিগ্ধ শীতল ঝিরঝির সকালের বাতাসে জুড়াইয়া গেল মন প্রাণ। ঘুমন্ত সমুদ্রও ধীরে ধীরে মেলছে তাঁর চোখের পাতা। এখনই একরাশ…

  • “বাবা আর ফিরবে না কখনো” – ফারজানা চৌধুরী পাপড়ি

    “বাবা আর ফিরবে না কখনো” – ফারজানা চৌধুরী পাপড়ি

    রাত এগারোটা। ক্লান্তির শেষ সীমায় পৌঁছে গিয়েছেন ডাঃ নিজাম।পিপিই খুলে বিছানা গা এলিয়ে দেবার জন্য শরীরটা ছেড়ে দিচ্ছে। ঠিক সেই সময়ে খবরটা এলো “নীচে একজন রোগী এসেছে, খুব খারাপ অবস্থা তার” শেষ রোগীকে নিয়ে কয়েক ঘণ্টা ধরে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। ব্যস্ত না থেকে উপায়ও ছিলো না। রোগীর অবস্থা ভালো ছিলো না। বিকাল থেকে করোনা পজিটিভ…

  • “ভালোবাসা বেঁচে আছে” – ফারজানা চৌধুরী পাপড়ি 

    “ভালোবাসা বেঁচে আছে” – ফারজানা চৌধুরী পাপড়ি 

    হায়, কী দেখার, কী দেখছি, কী শোনার, কী শুনছি! একটি মেয়ে করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। সে এখন একা। তার আপন বলতে ওই বাঁশে ঝোলানো দেহটা। দেহটা পড়ে ছিল বহু ঘণ্টা, কেউ তাকে ধরেনি, দেখতে আসেনি, কেউ মেয়েটির জন্য দুফুটো চোখের জলও ফেলেনি। তার জন্য জোটেনি মসজিদের খাঁটিয়া। সে অবহেলিত, ঘৃণার পাত্রী। সে এখন অনেক…